🕓 সংবাদ শিরোনাম

‘করোনার ভারতীয় ধরন শনাক্ত বিপদজনক ভবিষ্যতের পূর্ভাবাস’কুতুপালং শিবিরে রোহিঙ্গা নেতার বাসা থেকে অস্ত্র-গুলি উদ্ধারহাজারো যাত্রী নিয়ে বাংলাবাজার ঘাটে ফেরি শাহপরাণ, ঘাট ম্যানেজারের অস্বীকার‘একটা ঈদ বাড়িতে না করলে কী হয়?’কক্সবাজারে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ সন্ত্রাসী গ্রেফতারঝালকাঠির কলেজ ছাত্রী সুমাইয়া হত্যার বিচার দেখে মরতে চায় বাবা!সৌদিতে বাংলাদেশিসহ সকল প্রবাসীদের করোনা ভেকসিন বাধ্যতামূলক করা হয়েছেকরোনায় বেসামাল ভারত, একদিনে আরও ৪০৯২ জনের মৃত্যুচীনা রকেটের সেই ধ্বংসাবশেষ আছড়ে পড়লো মালদ্বীপের কাছেঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে চলছে দূরপাল্লার বাস

  • আজ রবিবার,২৬ বৈশাখ, ১৪২৮ ৷ ৯ মে, ২০২১, বিকাল ৪:০৫

শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে দেশ, আরো বাড়বে শীতের দাপট

❏ শনিবার, ডিসেম্বর ২৮, ২০১৯ ফিচার

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় গত দুদিনের গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে তাপমাত্রা অনেকটাই কমে গেছে। এ ছাড়া মেঘলা আকাশের সঙ্গে রয়েছে ঘন কুয়াশা। সূর্যের মুখ দেখা যাচ্ছে না। শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন অনেকটাই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল থেকে তেমন কুয়াশা না থাকলেও ঠান্ডা বাতাস বইছে রাজধানীতে। এ সময় ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ২ ডিগ্রি রেকর্ড করা হয়েছে দিনাজপুরে।

এদিকে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টিসহ শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একই সঙ্গে দেশের মধ্যাঞ্চলে তাপমাত্রার আরও অবনতি হতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান বলেন, ‘শৈত্যপ্রবাহ তো চলছেই। আজকে (শনিবার) শৈত্যপ্রবাহ চলেছে, কালকেও চলবে, পরশুদিনও থাকবে। এটাই চলমান থাকবে। আজকে ঢাকাসহ মধ্যাঞ্চলে তাপমাত্রা কিছুটা নেমে এসেছে, সেটা আরও একটু নেমে (কমে) আসতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকায় তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৩ ডিগ্রিতে নেমেছে। আরও ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমে যেতে পারে।’

আবহাওয়াবিদ মনোয়ার আহমেদ বলেন, ‘আরও দুই থেকে তিনদিন একই রকম অবস্থা বিরাজ করবে। তারপর হয়তো তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে। কিন্তু শীতের অনুভূতি থাকবেই। ১ থেকে ২ জানুয়ারি দেশের কোথাও কোথাও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তারপর আবার একটু তাপমাত্রা কমতে পারে।’

তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে মাঝারি মাত্রার শৈত্যপ্রবাহ বলে। তাপমাত্রা যদি ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামে তা তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। আর ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে বলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। দেশের বেশির ভাগ স্থানেই সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য ১০ ডিগ্রির মধ্যে আছে।

এদিকে, শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে কুয়াশার প্রকোপ। ভোরে ও সন্ধ্যায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মতো পড়ছে কুয়াশা কুয়াশা পড়ছে দেশের অনেক জায়গায়। ঘন কুয়াশার কারণে স্থল ও নৌপথে যান চলাচল ব্যহত হচ্ছে।

শুক্রবার দেশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় তেঁতুলিয়ায় ৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন দুপুর ১২টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে টেকনাফে ১০ মিলিমিটার। যেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও রেকর্ড করা হয়েছে ২৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গতকাল সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে। তবে বৃদ্ধি পেতে পারে দিনের তাপমাত্রা। মধ্যরাত থেকে দুপুর পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় হতে পারে হালকা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক

মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। পঞ্চগড়, দিনাজপুর ও নীলফামারী অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহতের পাশাপাশি বিস্তার লাভ করতে পারে।