🕓 সংবাদ শিরোনাম

খেলার আগে মাঠে ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ালেন কুড়িগ্রামের ক্রিকেটারেরাপাঁচ ঘণ্টা আটকে রেখে থানায় নেওয়া হলো প্রথম আলোর রোজিনা ইসলামকেকর্মস্থলে ফিরতে গাদাগাদি করে রাজধানীমুখী লাখো মানুষশেরপুরে পৃথক ঘটনায় একদিনে ৭ জনের মৃত্যুএক বিয়ে করে দ্বিতীয় বিয়ের জন্যে বড়যাত্রীসহ খুলনা গেল যুবক!আমার মৃত্যুর জন্য রনি দায়ী! চিরকুট লিখে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যাইসরাইলীয় আগ্রাসনের  বিরুদ্ধে ইসলামী বিশ্বের নিন্দার নেতৃত্বে সৌদি আরবত্রিশালে সড়ক দূর্ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যুতে নিহতের বাড়ীতে চলছে শোকের মাতমকলাপাড়ায় এক সন্তানের জননীর মরদেহ উদ্ধারটাঙ্গাইলে কৃষক শুকুর মাহমুদ হত্যা মামলায় গ্রেফতার-১

  • আজ মঙ্গলবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৮ মে, ২০২১ ৷

ভিপি নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাজধানীতে সন্ত্রাসবিরোধী গণপদযাত্রা


❏ শনিবার, ডিসেম্বর ২৮, ২০১৯ শিক্ষাঙ্গন

রবিউল ইসলাম, সময়ের কণ্ঠস্বর- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ভবনে ভিপি নুরুল হক নুরসহ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার বিচার ও ব্যর্থ প্রক্টরের অপসারণসহ চার দফা দাবিতে রাজধানীতে সন্ত্রাসবিরোধী গণপদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সংক্ষিপ্ত এক সমাবেশের মধ্যে দিয়ে এই গণপদযাত্রা শুরু করে সদ্য আত্মপ্রকাশ পাওয়া ১২টি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত 'সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্র ঐক্য'।

পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ফটক প্রদক্ষিণ করে গণপদযাত্রাটি নীলক্ষেত-কাটাবন হয়ে শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে এসে শেষ হয়।

এর আগে গণপদযাত্রাপূর্ব সমাবেশে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক রাশেদ খান বলেন, ছাত্রলীগের হামলা আজ নতুন নয়। সেই কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে আমাদের উপর একের পর এক হামলা চালানো হয়েছে, কিন্তু একটিও কোনো বিচার পাইনি।

তিনি বলেন, ২২ ডিসেম্বর ডাকসু ভবনে আমাদের ওপর দু দফায় হামলা চালানো হয়েছে। প্রথম দফা হামলা করেছে তথাকথিত মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। দ্বিতীয় ধাপে হামলা চালিয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ। লাইট-দরজা বন্ধ করে সে হামলার নেতৃত্ব দিয়েছেন সনজিত এবং সাদ্দাম। কিন্তু এখন পর্যন্ত তাদের আইনের আওতায় আনা হয়নি।

হামলার দায় থেকে ছাত্রলীগকে বাঁচানোর চেষ্টা চলছে মন্তব্য করে রাশেদ খান বলেন, ছাত্রলীগকে বাঁচানোর জন্য এখন সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা বিভিন্ন ভুলভাল বক্তব্য দিচ্ছেন। এছাড়া হামলার পর পুলিশ বাদি হয়ে যে মামলাটি করেছে সেটিও একটি সাজানো মামলা। সেই মামলায় ছাত্রলীগকে বাদ দিয়ে শুধু মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের যারা ছিলেন তাদের আসামি করা হয়েছে।

এসময় ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন বলেন, আজ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, পুলিশ এবং ছাত্রলীগ মিলে সারাদেশে ত্রাসের অভরায়ন্য তৈরি করেছে। এই ত্রাসের অভরায়ন্য এতদূর পৌঁছে গেছে যে ডাকসু ভিপির রুমে এসে তার উপর হামলা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সন্ত্রাসের শক্তি সন্ত্রাস পর্যন্তই আর জনতার শক্তি আকাশ চুম্বি। এই আকাশ চুম্বি ক্ষমতা নিয়ে যেসব জনতা সারাদেশে আছেন তাদের আর বসে থাকার সুযোগ নেই, সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্র ঐক্যের আহ্বানে এই ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

এ সময় 'সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্র ঐক্য' থেকে তাদের বিরুদ্ধে করা 'মিথ্যা মামলা' প্রত্যাহার, হামলাকারীদের প্রত্যেককে গ্রেফতার, সিসিটিভি ফুটেজ উদ্ধার করার দাবি জানান আখতার হোসেন। এসময় 'সন্ত্রাসের মদদদাতা' উল্লেখ করে প্রক্টরের অপসারণও চান তিনি।

এদিন সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন- সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাসুদ রানা, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি ফয়সাল মাহমুদ, ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি গোলাম মোস্তফা, ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মেহেদি হাসান নোবেল, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি ইকবাল কবীর, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সভাপতি বিপুল চাকমা প্রমুখ।