• আজ রবিবার,২৬ বৈশাখ, ১৪২৮ ৷ ৯ মে, ২০২১, রাত ১০:১৩

১০ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব

❏ শনিবার, ডিসেম্বর ২৮, ২০১৯ ইসলাম
iz

ইসলাম ডেস্কঃ টঙ্গীর তুরাগ তীরে আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। পুরোদমে চলছে প্রস্তুতি। শনিবার সকালে ইজতেমা ময়দান পরিদর্শন করেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার।

এসময় সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, ৫ জানুয়ারির মধ্যেই ইজতেমার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে। সেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে মাঠের বেশিরভাগ কাজ এরইধ্যেই শেষ হয়েছে। চলছে ময়দানে বিদ্যুৎ সংযোগ, রাস্তা সংস্কারসহ আনুসাঙ্গিক কাজ।

ইজতেমা মাঠের পুরো এলাকাই বাঁশের খুঁটি পোতা হয়েছে। মাঠের পশ্চিম পার্শ্ব থেকে চটের সামিয়ানা টাঙানো এবং মঞ্চের কাজ শুরু হয়েছে। এবারের বিশ্ব ইজতেমা আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ১২ জানুয়ারি প্রথম পর্ব বা মাওলানা যোবায়ের পন্থীদের পর্ব শেষ হবে। এরপর চার দিন বিরতি দিয়ে ১৭ জানুয়ারি থেকে ১৯ জানুয়ারি দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমা বা মাওলানা সা’দ পন্থীদের বিশ্ব ইজতেমা শেষ হবে। দুই পর্বেই আখেরি মোনাজাত হবে।

এবারের ইজতেমার পুরো ময়দানে ৪৫০টি সিসি ক্যামেরা বসানো হবে। মুসল্লিদের নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন। থাকবে জেলা প্রশাসনের ৩০টির বেশি ভ্রাম্যমাণ আদালত। মাঠে নিয়োজিত থাকবে বোমা ডিসপোজাল টিম। ইজতেমা ময়দানে মুসল্লিদের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় বিজিবি সদস্য রিজার্ভ রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে মোতায়েন করা হবে।

মুসল্লিদের ব্যবহারের জন্য ৩১টি টয়লেট বিল্ডিংয়ে ৮ হাজার ৩৩১টি টয়লেট থাকবে। ১৭টি গভীর নলকূপ দিয়ে পানি সরবরাহ করা হবে। তিনটি গ্রিড থেকে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। ৪টি শক্তিশালী জেনারেটর প্রস্তুত রাখা হবে। মুসল্লিদের পারাপারের জন্য তুরাগ নদের উপর ৭টি ভাসমান সেতু তৈরি করবে সেনাবাহিনী। মুসল্লিদের জন্য ১০টি বিশেষ ট্রেন চালু করবে এবং সব ট্রেন টঙ্গীতে যাত্রাবিরতি করবে। স্টেশনে তিন স্তরে টিকেট বিক্রি করা হবে। স্টেশনে মুসল্লিদের জন্য আলাদা অস্থায়ী বিশ্রামাগার ও ১০০টি টয়লেট তৈরি করা হবে।

ইজতেমা ময়দানে প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য ২০টি পথ তৈরি করা হয়েছে। এবার পুরো ইজতেমা ময়দানকে ৮৭টি খিত্তায় ভাগ করা হয়েছে। এতে ৬৪টি জেলার মুসুল্লিরা খিত্তা অনুসারে অংশ নেবেন। এর মধ্যে ঢাকা জেলার জন্য ২৩টি খিত্তা এবং ময়মনসিংহ জেলার জন্য দুটি খিত্তা রাখা হয়েছে। বাকি সব জেলা একটি করে খিত্তায় থাকবে।