ডাকসু ভবনের গায়েব ফুটেজ উদ্ধারের দাবি জানালেন ঢাবি ছাত্রলীগ সম্পাদক

⏱ | রবিবার, ডিসেম্বর ২৯, ২০১৯ 📁 শিক্ষাঙ্গন
sadda

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নুরুল হক ও তার সহযোগীদের ওপর হামলার ঘটনার ভবন থেকে গায়েব হওয়া সিসিটিভি ফুটেজ উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) সাদ্দাম হোসেন।

রোববার (২৯ ডিসেম্বর) ডাকসু ভবনের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে সিসিটিভি ফুটেজ উদ্ধারসহ ছয় দফা দাবি জানান ছাত্রলীগের ডাকসু প্রতিনিধিরা। দাবিগুলো হলো: ছাত্রলীগের ডাকসু প্রতিনিধি, সিনেট সদস্য, হল সংসদের নেতাসহ ছাত্রলীগের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীদের নামে ‘মিথ্যা মামলার’ অভিযোগ প্রত্যাহার, ২২ ডিসেম্বর ডাকসু ভবনের ভেতরে অবস্থান করা ভিপি নুরুলের সহযোগী বহিরাগতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, ভবন ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িত উভয় পক্ষের সদস্যদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ, দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত ডাকসু ভিপি নুরুল হকের পদত্যাগ ও তার ‘দুর্নীতি’ তদন্তে কমিটি গঠন এবং সাম্প্রদায়িক ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেয়ায় নুরুলের নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা, অন্যথায় তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ।

২২ ডিসেম্বর নুরদের ওপর হামলার পর ডাকসু ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ গায়েব হয়ে যায়। ফুটেজ গায়েব হওয়ার বিষয়ে সাদ্দাম বলেন, ‘সংঘর্ষে লিপ্তদের নাম-পরিচয় গোপন করার জন্য ডাকসু ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ গায়েব করা হয়েছে। কোটা সংস্কার আন্দোলনের রাতে যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ পরিকল্পিতভাবে গায়েব করেছিল, সেই একই পক্ষ সেদিন মূল ফটক বন্ধ করে ডাকসু ভবনে অবস্থান করেছিল। তারাই সিসিটিভির ফুটেজ গায়েব করেছে বলে আমরা মনে করি।’

সাদ্দাম বলেন, শিক্ষার্থীদের পবিত্র আমানত ডাকসু ভবনকে রক্ষা না করে বরং ভবনটিকে অবৈধভাবে ব্যবহার করে ও নিজের লেলিয়ে দেয়া বহিরাগত বাহিনী দিয়ে ভবনের ভাঙচুরে অংশ নিয়ে নুরুল ভিপি পদে দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা আবারও হারিয়েছেন। সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের মতো একটি মৌলবাদী সংগঠনের প্রধান কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করে এবং বহিরাগত নিয়ে এসে নুরুল ডাকসু ভবনের অপব্যবহার করেছেন।

নুরুলদের ওপর হামলার ঘটনায় ছাত্রলীগের কোনো ডাকসু প্রতিনিধির বিন্দুমাত্র সংশ্লিষ্টতা নেই বলেও দাবি করেছেন সাদ্দাম। ২২ ডিসেম্বরের হামলা-ভাঙচুরের পুরো দায় বুলবুল-মামুন নেতৃত্বাধীন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ ও ভিপি নুরুলের সংগঠন সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ওপর চাপিয়েছেন তিনি।

সাদ্দাম বলেন, ‘গত রোববারের ঘটনায় ছাত্রলীগের কোনো ডাকসু প্রতিনিধির বিন্দুমাত্র সংশ্লিষ্টতা নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগেরও কেউ জড়িত নয়। মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ (বুলবুল-মামুন অংশ) নামক একটি সংগঠনের ওপর ১৭ ডিসেম্বর ভিপি নুরুল হক ও তাঁর সংগঠন সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ যে হামলা চালায়, সেটির জের ধরেই এই ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে।’