সংবাদ শিরোনাম

পণ্যবাহী ট্রাক-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১খালেদার জিয়ার শারীরিক অবস্থার উন্নতি নেই, হয়নি বিদেশ যাওয়ার সিদ্ধান্তওপ্রধানমন্ত্রী কোরআন-সুন্নাহর বাইরে কিছু করেন না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমির্জাপুরে গণহত্যা দিবস উপলক্ষে মোমবাতি প্রজ্জ্বলনশনিবার থেকে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনাস্পুটনিক-৫ টিকা একে-৪৭’র মতো নির্ভরযোগ্য: পুতিনডোপটেস্টো রিপোর্ট: স্পিডবোটের চালক শাহ আলম মাদকাসক্তচাঁদপুরে ঐতিহাসিক বড় মসজিদে লক্ষাধিক মুসল্লির সালাতে ‘জুমাতুল বিদা’ রাঙামাটিতে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ দুই চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী আটক! আনসার ব্যাটালিয়ান সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ : নারীসহ ৯জন আহত

  • আজ ২৫শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

মাত্র ছয় মাসে পুরো কোরআন মুখস্থ করে তাক লাগালো ঝালকাঠির শিশু

৫:৫৮ অপরাহ্ন | সোমবার, ডিসেম্বর ৩০, ২০১৯ ইসলাম

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় ছয় মাসে পুরো কোরআন মুখস্থ করে বিস্ময় সৃষ্টি করেছে বায়েজিত নামে এক শিশু। এছাড়া আরও দুই শিশু দেড় বছরে কোরআনের হাফেজ হয়েছেন।

কোরআনের ওই তিন হাফজ হলো- রাজাপুর উপজেলার আলগী গ্রামের মো. বায়েজিত, একই উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের জোবায়ের মোত্তাকিন এবং ঝালকাঠি সদর উপজেলার রাজপাশা গ্রামের ওমর ফারুক। এদের প্রত্যেকের বয়স ১০ বছর।

এর মধ্যে বায়েজিত ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার দারুল উলুম কওমিয়া মাদ্রাসার ছাত্র। বায়েজিত মাত্র ছয় মাসে পুরো কোরআন মুখস্ত করে হাফেজ হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছে। কোরআন মুখস্ত করার আগে সে মাত্র দেড় বছর সময় নিয়ে কোরআন দেখে দেখে, সহিহ-শুদ্ধভাবে তিলাওয়াত করা শেখে।

এদিকে ১০ বছর বয়সী এ হাফেজ কোরআনের শিক্ষক কারি মো. বেলায়েত হোসেন।

তিনি বলেন, বায়েজিত নাজেরা পড়া শেষ করে শুরুর দিকে ২ পৃষ্ঠা করে কোরআন মুখস্ত করতে থাকে। পরে সে ৭/৮ পৃষ্ঠা করে মুখস্ত করা শুরু করে। এভাবে সে পুরো কোরআন মুখস্ত করে ফেলে। এখন সে সকালে আধা পারা (১০ পৃষ্ঠা), বিকালে আধা পারা করে মোট এক পারা কোরআন পাঠ করে শোনায়।

বায়েজিতের বাবা মো. সাইদুল ইসলাম একজন চাকরিজীবী। তিনি ঝালকাঠি পৌরসভার সহকারী কর নির্ধারক এবং মা গৃহিণী শিরীন সুলতানা।

এছাড়া দেড় বছরে কোরআন মুখস্ত করে হাফেজ হয়েছেন একই উপজেলার নারিকেলবাড়িয়া গ্রামের নুরুল ইসলামিয়া দ্বিনিয়া হাফেজি মাদ্রাসা থেকে মো. জোবায়ের খান মুত্তাকিন। সে ঝালকাঠি সদর উপজেলার শেখেরহাট ইউনিয়নের রাজপাশা গ্রামের কৃষক জামাল উদ্দিন খানের ছেলে। তার মা গৃহিণী মরিয়ম বেগম।

ঠিক মোত্তাকিনের মতো দেড় বছরে কোরআন হাফেজ হয়েছেন মো. ওমর ফারুক হাওলাদার। রাজাপুরের মনোহরপুর গ্রামের মো. শফিকুল ইসলামের ছেলে ফারুক। তার মা মাহমুদা বেগম গৃহিণী।

নুরুল ইসলামিয়া দিনিয়া হাফেজি মাদরাসার পরিচালক হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ বলেন, জোবায়ের খান মোত্তাকিন ২০১৮ সালের জুলাই মাসে ভর্তি হয়ে নাজেরা থেকে ছবক শুরু করে চলতি বছরের ২৫ নভেম্বর হাফেজ হয়। একইভাবে মো. ওমর ফারুক হাওলাদার ২০১৮ সালের মে মাসে ভর্তি হয়ে নাজেরা থেকে ছবক শুরু করে চলতি বছরের ২৫ নভেম্বর হাফেজ হয়েছে। তাদের জন্য মাদরাসা থেকে দোয়া করানো হয়েছে। কুরআনের হাফেজদের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি আমরা।