🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ মঙ্গলবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৮ মে, ২০২১ ৷

বৃদ্ধাশ্রমে দেখা, সেখানেই প্রেম, সেখানেই বিয়ে!


❏ মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ৩১, ২০১৯ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ কখনও পরিবার থেকে লাঞ্ছনার শিকার হয়ে আবার কখনও চাপা কষ্ট বুকে নিয়ে বৃদ্ধাশ্রমে ঠাঁই নেন বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা। সেখানে অচেনা-অজানারাই হয়ে ওঠে পরিবার। সুদিন ও দুর্দিনে তারাই পাশে দাঁড়ান। হয়ে ওঠেন শেষ জীবনের পরম বন্ধু।

তেমনটাই হয়েছিল ষাটের কোঠা পেরিয়ে যাওয়া লক্ষ্মী আমল এবং কোচানিয়ান মেননের সঙ্গেও। তবে পরিচয় পর্ব থেকে যে একে অপরকে মন দিয়ে ফেলবেন, তা-ও এই বয়সে, তা তারা হয়তো কখনও কল্পনাও করেননি।

অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে ভারতের কর্নাটক রাজ্যে এমন ঘটনা ঘটেছে। পরে বৃদ্ধাশ্রমেই তাদের বিয়ে হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, স্বামীর মৃত্যুর পর বৃদ্ধাশ্রমে চলে আসেন লক্ষ্মীদেবী। আর পরিবারের থেকে লাঞ্ছনার শিকার হয়ে মাথার ওপর ছাদ খুঁজতে গিয়ে এই জায়গাতেই এসে পড়েন। কিন্তু দুজন ভাবতেই পারেননি, এই বয়সে এসে প্রেমে পড়বেন।

নতুন করে সংসার পাতবেন। কিন্তু কথায় যে আছে, প্রেম না কি কোনো বাধা মানে না। হোক সেটা ধর্ম, বর্ণ বা বয়সের। চোখে-মুখে বয়সের ছাপ পড়লেও তা কী! শেষ বয়সে এসে প্রেমে পড়ে ভালোবাসাকে স্বীকৃতি দিতে বৃদ্ধাশ্রমেই বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন এই জুটি।

গায়ে হলুদ থেকে শুরু করে-সব কিছুই হয়েছে বৃদ্ধাশ্রমে। আয়োজন করেন বৃদ্ধাশ্রমের অন্যান্যরাই। শনিবার এই প্রবীণ পরিণয়ে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ভি এস শিবকুমারও।

জানা গেছে, এই কোচানিয়ানই না কি এককালে লক্ষ্মীদেবীর স্বামীর সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। স্বামীর সেই সহকারীর শেষ জীবনে হয়ে গেলেন জীবনের সঙ্গী।

লাল বেনারসী পরে কনের সিংহাসনে বসে প্রেমিকের গালে ভালোবাসার চিহ্ন এঁকে দেন লক্ষ্মীদেবী। আর সেই ছবিই এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল।

সময়ের কণ্ঠস্বর/ফয়সাল