🕓 সংবাদ শিরোনাম

‘করোনার ভারতীয় ধরন শনাক্ত বিপদজনক ভবিষ্যতের পূর্ভাবাস’কুতুপালং শিবিরে রোহিঙ্গা নেতার বাসা থেকে অস্ত্র-গুলি উদ্ধারহাজারো যাত্রী নিয়ে বাংলাবাজার ঘাটে ফেরি শাহপরাণ, ঘাট ম্যানেজারের অস্বীকার‘একটা ঈদ বাড়িতে না করলে কী হয়?’কক্সবাজারে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ সন্ত্রাসী গ্রেফতারঝালকাঠির কলেজ ছাত্রী সুমাইয়া হত্যার বিচার দেখে মরতে চায় বাবা!সৌদিতে বাংলাদেশিসহ সকল প্রবাসীদের করোনা ভেকসিন বাধ্যতামূলক করা হয়েছেকরোনায় বেসামাল ভারত, একদিনে আরও ৪০৯২ জনের মৃত্যুচীনা রকেটের সেই ধ্বংসাবশেষ আছড়ে পড়লো মালদ্বীপের কাছেঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে চলছে দূরপাল্লার বাস

  • আজ রবিবার,২৬ বৈশাখ, ১৪২৮ ৷ ৯ মে, ২০২১, বিকাল ৪:০৭

‘আমাকে কারাগারে নেয়ার পরিকল্পনা হচ্ছে’- ভিপি ‍নুর

❏ মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ৩১, ২০১৯ ঢাকা
nur

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকাঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ‍নুরুল হক নুর বলেছেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের মামলায় আমাকে গ্রেফতার করে কারাগারে নেয়ার পরিকল্পনা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে ঢামেক হাসপাতাল থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন তিনি।

নুর বলেন, ‘আমি এখনও ঝাপসা দেখি। যারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত, তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।’

তিনি বলেন, আমি এখনও সুস্থ নই। হাসপাতালে ভর্তির তিন দিন পর থেকে আমি বেশি অসুস্থ বোধ করছি।

তাকে হত্যার ষড়যন্ত্র হচ্ছে দাবি করে নুর জানান, প্রথম তিন দিনের পর শরীর আরও খারাপ হয় আমার। মেরে ফেলার যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র হতে পারে। এসব সরকারের ইশারাতেই হয়েছে বলে মনে করি।

‘কারণ, আমরা সরকারের বিশ্বাসভাজন ছাত্রলীগের কার্যক্রমের প্রতিবাদ করি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এর আগেও এরকম ঘটনা ঘটতে দেখেছে।’

নুর বলেন, আইসিটি আইনে মামলা করেছে, যাতে আমাকে কারাগারে রাখতে পারে। দুই মাসের আগে এই আইনে জামিন হয় না। ডাকসুর মেয়াদ আছে তিন মাস। আমাকে কারাগারে রাখার পরিকল্পনা। আমি মনে করি, আমাকে গ্রেফতার করার জন্যই হয়তো তড়িঘড়ি করে রিলিজ দেয়া হয়েছে।

দেশবাসীর কাছে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা নিজের পরিবারের জন্য কথা বলি না। সমাজের জন্য, রাষ্ট্রের জন্য কথা বলি। আমাদের এই বিপদের দিনে, ছাত্রলীগের নিপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষ যদি পাশে না দাঁড়ায়, তাহলে কেউ প্রতিবাদ করতে এগিয়ে আসবে না।

প্রসঙ্গত, গত ২২ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু ভবনে নিজ কক্ষে হামলার শিকার হন ভিপি নুরুল হক নুর। ডাকসু ভবনের মূল গেট বন্ধ করে হামলা করা হয়। এসময় কক্ষের লাইট বন্ধ করে বাঁশ ও রড দিয়ে নুর ও তার সহযোগীদের বেধড়ক পেটান হয়।

ডাকসু ভবনের ছাদ থেকেও একজনকে ফেলে দেয়া হয়। ওইদিনের হামলায় ভিপি নুরসহ অন্তত ৩০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।