🕓 সংবাদ শিরোনাম

খেলার আগে মাঠে ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ালেন কুড়িগ্রামের ক্রিকেটারেরাপাঁচ ঘণ্টা আটকে রেখে থানায় নেওয়া হলো প্রথম আলোর রোজিনা ইসলামকেকর্মস্থলে ফিরতে গাদাগাদি করে রাজধানীমুখী লাখো মানুষশেরপুরে পৃথক ঘটনায় একদিনে ৭ জনের মৃত্যুএক বিয়ে করে দ্বিতীয় বিয়ের জন্যে বড়যাত্রীসহ খুলনা গেল যুবক!আমার মৃত্যুর জন্য রনি দায়ী! চিরকুট লিখে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যাইসরাইলীয় আগ্রাসনের  বিরুদ্ধে ইসলামী বিশ্বের নিন্দার নেতৃত্বে সৌদি আরবত্রিশালে সড়ক দূর্ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যুতে নিহতের বাড়ীতে চলছে শোকের মাতমকলাপাড়ায় এক সন্তানের জননীর মরদেহ উদ্ধারটাঙ্গাইলে কৃষক শুকুর মাহমুদ হত্যা মামলায় গ্রেফতার-১

  • আজ মঙ্গলবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৮ মে, ২০২১ ৷

'ভারতের কাছে লিখিত আশ্বাস চায় বাংলাদেশ'- দ্য প্রিন্ট

ban
❏ মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ৩১, ২০১৯ আলোচিত

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট (সিএএ) পাস হওয়ার পর ভারতের কাছে লিখিত আশ্বাস চাচ্ছে বাংলাদেশ। মোদি সরকারের কাছে এমন আশ্বাস চাওয়া হচ্ছে যেখানে উল্লেখ থাকবে, তারা অবৈধ অভিবাসীদের সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেবে না।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্ট জানিয়েছে, ভারতের ন্যাশনাল রেজিস্টার অফ সিটিজেনস (এনআরসি) ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নমনীয় মনোভার প্রকাশ করছেন এমন অভিযোগ এনে তার সমালোচনা করতে ছাড়ছেন না বাংলাদেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো। ভারতীয় ওই গণমাধ্যমটি মনে করে, এরপরেই এমন দাবি করছে হাসিনা সরকার।

কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, আসামে এনআরসি চূড়ান্ত হওয়ার পর অক্টোবরে শেখ হাসিনার ভারত ভ্রমণের সময়ও একই দাবি করা হয় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে। তখন ভারত বাংলাদেশকে মৌখিকভাবে আশ্বাস দেয় যে, এনআরসি’র যাদের ‘বিদেশি’ বলে চিহ্নিত করা গেছে তাদের বাংলাদেশে পাঠানো হবে না। তবে লিখিত কোনো আশ্বাস দিতে অস্বীকৃতি জানায় ভারত। তারা বলে, সুপ্রিম কোর্টের আদেশেই বাস্তবায়ন করা হয়েছে এনআরসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি মাসে ভারতের পার্লামেন্টে সিএএ পাস হওয়ার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এমনটা শঙ্কা করছেন যে, ভারত সেখানকার মুসলিম অভিবাসীদের সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে দেবে।

এখন সুপ্রিম কোর্টের বাধ্যবাধকতা না থাকায় লিখিত দেয়া সহজ হবে বলে বাংলাদেশ সরকার মনে করছে; এমনটাই জানিয়েছে বিভিন্ন সূত্র। তবে ভারত এখনও এমন কোনো আশ্বাস বাংলাদেশকে দিয়েছে কিংবা দিতে সম্মত হয়েছে, এমন কোনো ঘটনাও ঘটেনি।

এনআরসি নিয়ে ভারতজুড়ে ব্যাপক আন্দোলন চললেও দেশটির সরকার জানিয়ে দিয়েছে, এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হবে না।

প্রতিবেদনটিতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) প্রধান শাফিনুল ইসলামের সঙ্গে রোববার দেশটির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের একটি বৈঠকের কথা উল্লেখ করে জানানো হয়, ওই বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিজিবি প্রধান এনআরসি সরকারের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে মন্তব্য করেন বলেও উল্লেখ করে গণমাধ্যমটি। তবে সিএএ নিয়ে বিজিবি প্রধান কোনো মন্তব্য করেননি বলে জানায় তারা।

ভারতীয় ওই গণমাধ্যমটি উল্লেখ করে, নরেন্দ্র মোদি সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকার পরও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কেন ভারত থেকে কোনো নিশ্চয়তা আনতে পারছেন না, সেটি নিয়ে বিরোধীদের কাছে সমালোচিত হচ্ছেন তিনি। তবে গেল নভেম্বরে বেঙ্গালুরু থেকে ৬০ অবৈধ বাংলাদেশিকে আটক করে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য কলকাতা নিয়ে আসার পর থেকে এই অবস্থা আরো বেশি খারাপ হয়েছে বলে মনে করছে ভারতীয় ওই গণমাধ্যমটি।

গেল মাসে সিএএবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গুয়াহাটিতে এক বাংলাদেশি কূটনৈতিক আক্রমণের শিকার হন।

সিএএ নিয়ে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ভারত সফর বাতিল করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ.কে. আব্দুল মোমেন এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।