সংবাদ শিরোনাম

পণ্যবাহী ট্রাক-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১খালেদার জিয়ার শারীরিক অবস্থার উন্নতি নেই, হয়নি বিদেশ যাওয়ার সিদ্ধান্তওপ্রধানমন্ত্রী কোরআন-সুন্নাহর বাইরে কিছু করেন না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমির্জাপুরে গণহত্যা দিবস উপলক্ষে মোমবাতি প্রজ্জ্বলনশনিবার থেকে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনাস্পুটনিক-৫ টিকা একে-৪৭’র মতো নির্ভরযোগ্য: পুতিনডোপটেস্টো রিপোর্ট: স্পিডবোটের চালক শাহ আলম মাদকাসক্তচাঁদপুরে ঐতিহাসিক বড় মসজিদে লক্ষাধিক মুসল্লির সালাতে ‘জুমাতুল বিদা’ রাঙামাটিতে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ দুই চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী আটক! আনসার ব্যাটালিয়ান সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ : নারীসহ ৯জন আহত

  • আজ ২৫শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

সবজির ব্যাগে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল ফিলিস্তিনি শিশুকে!

৩:৫৮ অপরাহ্ন | বুধবার, জানুয়ারী ১, ২০২০ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- বড় একটি ব্যাগ ভর্তি ফল আর শাক-সবজি নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বেনি-এনজার সীমানা পাড় হতে যাচ্ছিলেন এক দম্পতি। তাদের দেখে সন্দেহ হলো পুলিশের। সাথে সাথেই থামানো হয়, শুরু হলো জিজ্ঞাসাবাদ। তারপর তল্লাশি। এক পর্যায়ে সবজির ব্যাগ থেকে বেরিয়ে এলো দশ বছরের এক শিশু।

দিনের পর দিন সন্তানের ভবিষ্যত নিয়ে দুশ্চিন্তা কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছিল এক ফিলিস্তিনি মাকে। সন্তানকে নিয়ে মেলিয়ার অস্থায়ী শিবিরে বসবাস করছিলেন তিনি। ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা কাটাতে সন্তানকে নতুন জীবন দেয়ার পরিকল্পনা করেন এই মা।

ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অনেক ভেবে এবং খোঁজ খবর নিয়ে তিনি এক দম্পতির সন্ধান পান। যারা তার ছোট্ট ছেলেটিকে সীমানা পাড় করিয়ে মরক্কো থেকে স্পেনে পৌঁছে দিবে। নতুন বছরের আগমনের আগেই সন্তানকে নতুন জীবন দিতে মা তাই ছেলেকে তুলে দেন মরক্কোর সেই দম্পতির হাতে।

বছর দশেকের সেই শিশুটিকে সীমানা পাড় করাতে ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করেন তারা। সবজির একটি ট্রলির ভেতরে মাথা নিচু করে তাকে গুটিসুটি মেরে বসে থাকতে বলেন। এরপর তাকে ঢেকে দেয়া হয় ফল আর সবজি দিয়ে।

সেই ট্রলি নিয়ে ওই দম্পতি মেলিয়া শহরের বেনি-এনজার সীমানা পাড় হতে যান। ঠিক তখনই পুলিশের নজর পড়ে তাদের সেই ট্রলির ওপর। তখনই তাদের থামানো হয়। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে ট্রলিটি তল্লাশি করার জন্য তুলতেই সন্দেহ আরো বাড়ে। এত ভারী!

এরপর শুরু হয় তল্লাশি। পুলিশ ট্রলি থেকে একটি একটি করে ফল আর সবজির ছোট ছোট ব্যাগগুলো নামাতে থাকেন। তারপরই দেখতে পান ছোট্ট একটি শিশু মাথা নিচু করে বসে আছে। তার চোখই বলে দিচ্ছিলো তার অসহায়ত্বের কথা।

পরে ত্রিশোর্ধ্ব সেই দম্পতিকে মানব পাচারের অভিযোগে পুলিশ গ্রেফতার করে। আর শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হয়। সাথে ফিরিয়ে দেয়া হয় তার অনিশ্চিত জীবন।