🕓 সংবাদ শিরোনাম

ইসরাইলকে সমর্থন দিয়েছে বিশ্বের ২৫টির মতো দেশ!বাংলাদেশিদের ভালোবাসা দেখে বিস্মিত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রদূতঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যাত্রী পরিবহনের প্রতিযোগিতায় ট্রাক ও পিকআপখেলার আগে মাঠে ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ালেন কুড়িগ্রামের ক্রিকেটারেরাপাঁচ ঘণ্টা আটকে রেখে থানায় নেওয়া হলো প্রথম আলোর রোজিনা ইসলামকেকর্মস্থলে ফিরতে গাদাগাদি করে রাজধানীমুখী লাখো মানুষশেরপুরে পৃথক ঘটনায় একদিনে ৭ জনের মৃত্যুএক বিয়ে করে দ্বিতীয় বিয়ের জন্যে বড়যাত্রীসহ খুলনা গেল যুবক!আমার মৃত্যুর জন্য রনি দায়ী! চিরকুট লিখে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যাইসরাইলীয় আগ্রাসনের  বিরুদ্ধে ইসলামী বিশ্বের নিন্দার নেতৃত্বে সৌদি আরব

  • আজ মঙ্গলবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৮ মে, ২০২১ ৷

কুয়েটে আরবদের মতো পোশাক পরা নিয়ে বিতর্ক, প্রশাসনের উদ্বেগ

kuet
❏ শুক্রবার, জানুয়ারী ৩, ২০২০ শিক্ষাঙ্গন

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) একটি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিশেষ পোশাক পরে ক্যাম্পাসে শোভাযাত্রা করার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। গত ১ জানুয়ারি কুয়েট রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে দেওয়া এক পত্রে এ পোশাক সম্পর্কে জানাতে ওই ব্যাচের শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানানো হয়েছে।

কুয়েট রেজিস্ট্রার জি এম শহিদুল আলম স্বাক্ষরিত পত্রে বলা হয়েছে, ‘ক্যাম্পাসে বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপলক্ষে শিক্ষার্থীরা দলবদ্ধভাবে কিছু নির্দিষ্ট পোশাক পরিধান করে শোভা বা র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করছে- যা বাংলাদেশের সংস্কৃতির পরিপন্থী বিধায় বিশ্ববিদ্যালয়কে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলছে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের ছাত্র কল্যাণ দফতর, সংশ্লিষ্ট হল প্রভোস্ট বা বিভাগীয় প্রধানদের কাছ থেকে পোশাক সংক্রান্ত মতামত গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা হল এবং ছাত্র কল্যাণ দফতর, সংশ্লিষ্ট হল প্রভোস্ট বা বিভাগীয় প্রধান ও সকল শিক্ষকদের সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ করা হলো।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়া এই নোটিশ পেয়ে ওই ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই ব্যাচের এক শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, যদি আমরা এমন কিছু না পরে ওয়েস্টার্ন পোশাক বা ধূতি-পাঞ্জাবি পরতাম তাহলে এত কথা হতো না। কিন্তু, আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ পর্যায়ের শিক্ষার্থী। কী পরবো না পরবো সে বিষয়ে আমাদের নিজেদের স্বাধীনতা আছে। কোনও একটা ঘটনার সঙ্গে কেউ নিজের মতো করে কিছু মিলিয়ে অন্যের ওপর তার মনোভাব চাপানোর চেষ্টাও দৃষ্টিকটূ এবং বিরক্তিকর। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অন্য কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এ ধরনের নোটিশ দিয়েছে যা মোটেও সঙ্গত নয়। সর্বোচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনও ড্রেস কোড নেই। ভবিষ্যতেও থাকা উচিত নয়।

উল্লেখ্য, শেষ ক্লাস উপলক্ষে সম্প্রতি কুয়েটের কম্পিউটার প্রকৌশল বিভাগের ১৫ ব্যাচের ছাত্ররা ভিন্নধর্মী কিছু করার চিন্তা করেন। এরই অংশ হিসেবে আরবদের মতো পোশাক পরে ছেলেরা। আর মেয়েরা শাড়ি পরে ক্লাসে হাজির হন। পরে তারা ক্যাম্পাসে শোভাযাত্রা করেন, একসঙ্গে ঘুরে বেড়ান এবং ছবি তোলেন। আরব দেশীয় পোশাক পরা কিছু ছবি তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও পোস্ট করেন। এরপরই ছবিগুলো ভাইরাল হয়।

কুয়েট শিক্ষার্থীদের ভিন্নধর্মী এ আয়োজন আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি করে। ভিন্নধর্মী পোশাক পরায় কেউ কেউ তাদের প্রশংসা করলেও অনেকে আবার তাদের এমন ধরনের পোশাক নির্বাচন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। বিষয়টি গণমাধ্যমেও বেশ আলোচনার সৃষ্টি করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওই নোটিশটি জারি করেন।