সংবাদ শিরোনাম

পণ্যবাহী ট্রাক-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১খালেদার জিয়ার শারীরিক অবস্থার উন্নতি নেই, হয়নি বিদেশ যাওয়ার সিদ্ধান্তওপ্রধানমন্ত্রী কোরআন-সুন্নাহর বাইরে কিছু করেন না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমির্জাপুরে গণহত্যা দিবস উপলক্ষে মোমবাতি প্রজ্জ্বলনশনিবার থেকে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনাস্পুটনিক-৫ টিকা একে-৪৭’র মতো নির্ভরযোগ্য: পুতিনডোপটেস্টো রিপোর্ট: স্পিডবোটের চালক শাহ আলম মাদকাসক্তচাঁদপুরে ঐতিহাসিক বড় মসজিদে লক্ষাধিক মুসল্লির সালাতে ‘জুমাতুল বিদা’ রাঙামাটিতে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ দুই চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী আটক! আনসার ব্যাটালিয়ান সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ : নারীসহ ৯জন আহত

  • আজ ২৫শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আলীকে অপসারণ

৮:১০ অপরাহ্ন | রবিবার, জানুয়ারী ৫, ২০২০ আলোচিত

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- শৃঙ্খলা ও পেশাগত আচরণবিধি ভঙ্গ এবং গুরুতর অসদাচরণের দায়ে অপসারণ করা হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আলীকে।

রোববার (৫ জানুয়ারি) তাকে অপসারণ করে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে। আজ থেকেই অপসারণের আদেশ কার্যকর হবে।

এর আগে, ২০১৬ সালে প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আলীকে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম ও সব মামলা থেকে প্রত্যাহার করে প্রধান প্রসিকিউটরের দফতর। ওই বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপুর সই করা চিঠিতে বলা হয়, প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আলীকে আলবদর শামসুল হক গং ও হোসেন তরফদারসহ ট্রাইব্যুনালের অন্যান্য মামলার তদন্ত কার্যক্রম থেকে প্রত্যাহার করা হলো। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি ট্রাইব্যুনালে কোনো মামলা পরিচালনা করতে পারবেন না।

এর ১০ দিন পর ২০১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি প্রধান প্রসিকিউটরের সই করা একটি চিঠি পাঠানো হয় আইন মন্ত্রণালয়ে। ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন একটি মামলার একজন আসামির জামিন পাওয়ার বিষয়ে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে। এ অভিযোগে মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে ‘শৃঙ্খলাভঙ্গ ও অসদাচরণে’র বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয় চিঠিতে।

এতে বলা হয়, নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে তার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ও আচরণবিধি ভঙ্গ এবং পেশাগত অসদাচরণের গুরুতর অপরাধের অভিযোগে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও ব্যবস্থা নেওয়া অতি জরুরি।

পরে ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আলীকে ‘শৃঙ্খলাভ্ঙ্গ ও অসদাচরণের’ অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করে আইন মন্ত্রণালয়। প্রায় চার বছর পর তাকে চূড়ান্তভাবে অপসারণ করা হলো ট্রাইব্যুনাল থেকে।