ঢাবি ছাত্রীকে ধর্ষণের বিচার দাবিতে অনশনে এক শিক্ষার্থী

❏ সোমবার, জানুয়ারী ৬, ২০২০ শিক্ষাঙ্গন
onson

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ রাজধানীর কুর্মিটোলা এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হওয়ার প্রতিবাদে অনশনে বসেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের এক ছাত্র। অনশনকারী শিক্ষার্থীর নাম মো. সিফাতুল ইসলাম।

রোববার (৫ জানুয়ারি) দিনগত রাত ৪টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অনশনে বসেন তিনি।

সিফাতুল ইসলাম বলেন, ধর্ষণকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের পাশাপাশি ধর্ষণের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন ও প্রতিরোধ গড়ে তোলা দরকার। ধর্ষককে অবিলম্ব গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। ধর্ষকের শাস্তি যেন মৃত্যুদণ্ড হয় সে দাবিও জানান তিনি।

জানা যায়, রোববার (৫ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে করে শেওড়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন ওই ছাত্রী। সন্ধ্যা ৭টার দিকে কুর্মিটোলায় বাস থেকে নামার পর অজ্ঞাত ব্যক্তি মুখ চেপে তাকে পার্শ্ববর্তী একটি স্থানে নিয়ে যান। সেখানে তাকে অজ্ঞান করে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়। পরে রাত ১০টার দিকে জ্ঞান ফিরলে তিনি নিজেকে নির্জন স্থানে অবিষ্কার করেন। পরে সেখান থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে নিজ গন্তব্যে পৌঁছালে রাত ১২টার পর তাকে ঢামেক জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। পরে তাকে ওসিসিতে ভর্তি করে।

ধর্ষণের খবর ক্যাম্পাসে পৌঁছাতে রাজপথে নেমে এসেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ঢামেক প্রাঙ্গণে বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে মিছিল শুরু করেন। ছাত্রলীগ ও সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতাকর্মীরা আলাদা আলাদা মিছিলে অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়া শিক্ষার্থীরা ফেইসবুকে ইভেন্ট খুলে আজ বেলা ১১টায় বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছে। পৃথক বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ছাত্রদলও।

রাত ৩টার দিকে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে কয়েকশ নেতাকর্মী মিছিলে অংশ নেন। মিছিলটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের গেট থেকে শুরু হয়ে টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এসে শেষ হয়।

অপরদিকে রাত সাড়ে ৩টার দিকে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতাকর্মীরা। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গা প্রদক্ষিণ করে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এসে শেষ হয় মিছিলটি। এ সময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়।