‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তার পাশে আছে’- আখতারুজ্জামান

UPAC
❏ সোমবার, জানুয়ারী ৬, ২০২০ শিক্ষাঙ্গন

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ রাজধানীর কুর্মিটোলা এলাকায় ধর্ষণের শিকার সেই ছাত্রীর পাশে পুরো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার আছে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। সোমবার ওই ছাত্রীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে দেখতে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

উপাচার্য বলেন, ঘটনাটি খুবই নিন্দনীয়, দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। আমরা মর্মাহত। তার বাবা ভেতরে আছে, তবে আমরা সবাই তার পাশে আছি। তাকে মানসিকভাবে শক্ত ও সমর্থ করে তোলাই আমাদের প্রধান কাজ।

তিনি বলেন, প্রথমত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তার অভিভাবকত্ব গ্রহণ করেছে। মেয়েটির পাশে দাঁড়ানো আমাদের প্রথম দায়িত্ব। ন্যায়বিচার পাওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যা প্রয়োজন তাই করা হবে। তাকে মনে রাখতে হবে সে আমাদের মেয়ে, আশা রাখি তার মনোবল শক্ত থাকবে।

ধর্ষণের ঘটনায় ঢাবি কর্তৃপক্ষ কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে কিনা জানতে চাইলে উপাচার্য বলেন, ক্যান্টনমেন্ট থানায় ছাত্রীটির বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। তা না হলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষই মামলা করতো। এরপরেও যেটুকু সহায়তা দরকার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সে সহায়তা দেবে।

এর আগে, রোববার সন্ধ্যায় কুর্মিটোলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস থেকে নেমে যাওয়ার পর তাকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন ওই ছাত্রী।

জানা গেছে, সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে শেওড়া যাওয়ার উদ্দেশে ঢাবির বাসে ওঠেন ওই শিক্ষার্থী। সন্ধ্যা ৭ টার দিকে কুর্মিটোলায় বাস থেকে নামার পর অজ্ঞাত ব্যক্তি তার মুখ চেপে তাকে পার্শ্ববর্তী একটি স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে অজ্ঞান করে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়। পরে তার ১০টার দিকে জ্ঞান ফিরলে তিনি নিজেকে নির্জন স্থানে অবিষ্কার করেন। পরে সেখান থেকে সিএনজি যোগে নিজ গন্তব্যে পৌঁছান। পরে রাত ১২টার দিকে ওই শিক্ষার্থীকে ঢামেক হাসপাতালের ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টারেভর্তি করান তার সহপাঠীরা।

ধর্ষণের খবর ক্যাম্পাসে পৌঁছাতে রাজপথে নেমে এসেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ঢামেক প্রাঙ্গণে বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে মিছিল শুরু করেন। ছাত্রলীগ ও সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতাকর্মীরা আলাদা আলাদা মিছিলে অংশগ্রহণ করেন।