আওয়ামী লীগ প্রার্থী আতিকুলকে শোকজ

৫:৩৭ অপরাহ্ন | সোমবার, জানুয়ারী ৬, ২০২০ ঢাকা
atik

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ আচারণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবুল কাসেম। এতে আগামী দুই দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। সোমবার (৬ জানুয়ারি) এই নির্দেশনা-সংক্রান্ত চিঠি আতিকুলকে পাঠানো হয়।

আতিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের যেসব অভিযোগ রয়েছে তার মধ্যে- প্রতীক বরাদ্দের আগেই ভোট চাওয়া, নির্বাচনী ক্যাম্পের যে সীমাবদ্ধতা রয়েছে সেই আইন ভঙ্গ করা। কোনো প্রার্থীর হয়ে কোনো সংসদ সদস্য বা মন্ত্রী ভোট চাইতে পারবেন না। গতকাল রোববার (৫ জানুয়ারি) আতিকুল ইসলামের নির্বাচনী ক্যাম্প উদ্বোধনের সময় ঢাকা-১৮ আসনের সদস্য সাহারা খাতুন আতিকুলের পক্ষে ভোট চান।

চিঠিতে বলা হয়, ‘আপনি ৫ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে একজন সংসদ সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে উত্তরা নির্বাচনি ক্যাম্প উদ্বোধন করেছেন, যা ৫ জানুয়ারি ২০২০ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে এবং ৬ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। সিটি করপোরেশন (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা ২০১৬-এর বিধি ৫ ও বিধি ২২-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বিধায় কেন আপনার বিরুদ্ধে নির্বাচন আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা আগামী ২ (দুই) কর্মদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।’

এর আগে শনিবার (৪ জানুয়ারি) বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল নির্বাচন কমিশনে আতিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তাকে বলেছি যেন তাকে শোকজ করা হয়। একইসঙ্গে কেন এ ধরনের ঘটনায় ঘটেছে, সেটি যেন জানতে চাওয়া হয়।

তাবিথ তার অভিযোগপত্রে বলেন, শনিবার সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আতিকুল ইসলাম ঢাকা উত্তরের গুলশান-১ এলাকার গুলশান পার্কে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে একটি নির্বাচনী মঞ্চ করেন। এ সময় মাইক ও সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করে নিজের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন ও ভোটারদের কাছে যাওয়ার জন্য কর্মীদের দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। যা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের আচরণ বিধিমালা-২০১৬ এর স্পষ্ট লঙ্ঘন ও গর্হিত অপরাধ।