ধর্ষককে দেখলে চিনতে পারবেন ঢাবির সেই শিক্ষার্থী

৬:১৪ অপরাহ্ন | মঙ্গলবার, জানুয়ারী ৭, ২০২০ আলোচিত বাংলাদেশ
dhor

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ রাজধানীর কুর্মিটোলায় রাস্তার পাশে ধর্ষণের শিকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শিক্ষার্থীকে দেখতে মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) ঢাকা মেডিকেলের ওয়ান স্পট ক্রাইসিস সেন্টারে যান মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নাসিমা বেগম।

সেখানে তিনি বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ধর্ষককে দেখলে চিনতে পারবে সেই শিক্ষার্থী। সেই সঙ্গে ছবির স্কেচও তৈরি করে দিতে পারবে সে। স্কেচ দেখে ধর্ষকে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

নাসিমা বেগম সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা ওর সাথে কথা বললাম, দেখলাম যে এই মেয়েটি অত্যন্ত সাহসী, সে সাহসের পরিচয় দিয়েছে।… সে যেহেতু আসামির চেহারার একটি বর্ণনা দিতে পারছে, অবিলম্বে একটি স্কেচ এঁকে আসামি শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করার ব্যবস্থা যাতে করা হয় সেটা আমি বলেছি।”

নাসিমা বেগম বলেন, মেয়েটি দেরি না করে ঢাকা মেডিকেলে গিয়ে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছে। আলামত নষ্ট হতে দেয়নি। এখন পরীক্ষা করে ডিএনএ মিলিয়ে প্রকৃত ধর্ষককে শনাক্ত করা কঠিন হওয়ার কথা নয়।

সাহস আর মনের জোরের কারণে মেয়েটির অবস্থার দ্রুত উন্নতি হচ্ছে বলে জানান মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান।

অপরাধীর কঠোর শাস্তি দাবি করে তিনি বলেন, “নারী কি এতই… যেখানে সেখানে এ ধরনের ধর্ষণের শিকার হবে।”

নাসিমা বেগম বলেন, ডিএনএ অধিদপ্তরের অধীনে জাতীয় সার্ভারে ডিএনএ নমুনা সংরক্ষিত থাকলে এ ধরনের অপরাধীকে ধরা অনেক সহজ হত। আলামত পরীক্ষা করে ডিএনএ মিলিয়েই ধর্ষণকারীকে চিহ্নিত করা যেত। তাতে এ ধরনের অপরাধও কমে যেত।

এর আগে রোববার সন্ধ্যায় বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে শেওড়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন ওই তরুণী। কুর্মিটোলায় বাস থেকে নামার পরপরই তিনি আক্রান্ত হন। মুখ চেপে ধরে তাকে তুলে সড়কের পাশে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় তিন ঘণ্টা ধরে। সেদিন গভীর রাতে তাকে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়।

মেয়েটির দেওয়া বর্ণনা থেকে পুলিশ ধারণা পেয়েছে, ধর্ষণকারী একজনই, তার বয়স ২৫-৩০ বছরের মত। মেয়েটির বাবা ক্যান্টনমেন্ট থানায় যে মামলা করেছেন, সেখানেও একজনকেই আসামি করা হয়েছে।