• আজ বৃহস্পতিবার, ৩০ বৈশাখ, ১৪২৮ ৷ ১৩ মে, ২০২১ ৷

পিলখানা ট্রাজেডির পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ বুধবার

pilkh
❏ মঙ্গলবার, জানুয়ারী ৭, ২০২০ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ বিডিআর বিদ্রোহের সময় পিলখানায় সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের মামলায় পূর্ণাঙ্গ রায় আগামিকাল বুধবার প্রকাশ করা হবে। প্রায় দুই বছর আগে হাইকোর্ট এ রায় ঘোষণা করলেও তা এতো দিন প্রকাশিত হয়নি। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের ডেপুটি এটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, হাইকোর্টের দেওয়া পূর্ণাঙ্গ রায় লেখা সম্পন্ন হয়েছে। এ রায় ২৯ হাজার পৃষ্ঠার ওপরে বলে জানা গেছে।

বিচারপতি মো. শওকত হোসেন, বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি বৃহত্তর বেঞ্চের ওই তিন বিচারপতির রায়ে স্বাক্ষর করার পর তা সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।

এই রায় প্রকাশের মধ্যদিয়ে ছয় বছর আগে, ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর নিম্ন আদালতের দেওয়া রায় অনুমোদন প্রক্রিয়া চূড়ান্তভাবে সম্পন্ন হবে।

এর আগে ২০১৭ সালের ২৬ ও ২৭ নভেম্বর টানা দুই দিন পিলখানা হত্যাকান্ড মামলায় হাইকোর্ট রায় প্রদান করেন। রায়ে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত ১৫২ আসামির মধ্যে ১৩৯ জনের ফাঁসির আদেশ বহাল রাখেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ৮ জনের মৃত্যুদন্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন ও ৪ জনকে খালাস দেয়া হয়।

এছাড়া বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ১৬০ জনের মধ্যে ১৪৬ জনের সাজা বহাল রাখেন হাইকোর্ট। বাকী ১৪ জনের মধ্যে দুই জন আসামি মারা যান এবং ১২ জনকে খালাস দেয়া হয়।

এই মামলায় নিম্ন আদালতে খালাস পাওয়া ৬৯ আসামির মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে ৩১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ৪ জনকে সাত বছরের কারাদণ্ড এবং ৩৪ জনকে খালাসের আদেশ বহাল রাখেন উচ্চ আদালত।

প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে রাজধানীর পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দফতরে হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়। ওই ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ প্রাণ হারান মোট ৭৪ জন। এই হত্যাকান্ডের মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. আখতারুজ্জামান বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী এজলাসে রায় ঘোষণা করেন। ওই রায়ে ১৫২ আসামিকে ফাঁসির রায় দেন এই বিচারক।