🕓 সংবাদ শিরোনাম

শরীয়তপু‌রে কৃষিঋণ পেতে হয়রানি, ব্যাংকে দালাল চ‌ক্রের দৌরাত্ম্য চর‌মে!স্কটল্যান্ডের সংস‌দে প্রথম বাংলা‌দেশি এমপি নবীগঞ্জের ফয়ছল চৌধুরীসিলেটে চাহিদামতো ইফতারি না দেয়ায় অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে হত্যা!করোনাকালে কিন্ডারগার্টেন ও নন-এমপিও শিক্ষকদের করুণ দশা!ওয়ালটন স্মার্টফোনে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ‘ঈদ সালামি’চাচীর পরকীয়ার কথা জেনে যাওয়ায় ভাতিজাকে নৃসংশ ভাবে খুনকেরাণীগঞ্জে দুই কিশোরীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার-৪চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের উপর মাদক কারবারিদের হামলা: এস আইসহ আহত-৫রোজার মহিমায় মুগ্ধ হয়ে ভারতীয় তরুণীর ইসলাম গ্রহণপর্তুগালে সবচেয়ে বড় ঈদ জামাতের অনুমতি

  • আজ রবিবার,২৬ বৈশাখ, ১৪২৮ ৷ ৯ মে, ২০২১, সকাল ১০:১৯

‘মিয়ানমারের উসকানি সত্ত্বেও আমরা ফাঁদে পা দেইনি’- প্রধানমন্ত্রী

❏ মঙ্গলবার, জানুয়ারী ৭, ২০২০ জাতীয়
hasina

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের ফাঁদে বাংলাদেশ পা দেয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকারের বর্ষপূর্তিতে মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আলোচনার মাধ্যমে আমরা দ্বিপাক্ষিক সমস্যা সমাধান করতে চাই। এটি আমাদের দুর্বলতা নয়, কৌশল। এ কারণেই মিয়ানমারের দিক থেকে নানা উসকানি সত্ত্বেও আমরা সে ফাঁদে পা দেইনি। আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানের পথ থেকে সরে যাইনি।

জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত ‘ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস’-এ (আইসিজে) থেকে একটা সমাধান সূত্র পাওয়া যাবে আশা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতে মামলা হয়েছে। আমরা আশা করছি, এই আদালত থেকে আমরা একটি স্থায়ী সমাধান সূত্র খুঁজে পাবো।

ভাষণের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী সবাইকে খ্রিষ্টীয় নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানান। শ্রদ্ধা জানান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা ও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি। শ্রদ্ধা জানান ’৭৫-এর ১৫ আগস্টের অন্যান্য শহীদসহ পরবর্তীতে বিভিন্ন আন্দোলনে নিহত ব্যক্তিবর্গের প্রতি। স্মরণ করেন ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত জোটের অগ্নিসন্ত্রাস এবং পেট্রোলবোমা হামলায় নিহতদের।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রতি আহ্বান জানিয়ে এ সময় সরকারপ্রধান আরও বলেন, অবৈধ সম্পদ অর্জনের সঙ্গে যে-ই জড়িত থাকুক, তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসুন। সাধারণ মানুষের ‘হক’ যাতে কেউ কেড়ে নিতে না পারে তা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহণ করছি। তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির সম্প্রসারণের মাধ্যমে দুর্নীতির নির্মূল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দুর্নীতি বন্ধে জনগণের অংশগ্রহণ জরুরি। মানুষ সচেতন হলে, দুর্নীতি আপনা-আপনি কমে যাবে।

এ সময় তিনি জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকার কথাও জানান। তিনি বলেন, একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ আমরা প্রতিষ্ঠা করতে চাই। যেখানে হিংসা-বিদ্বেষ হানাহানি থাকবে না। সকল ধর্ম-বর্ণ এবং সম্প্রদায়ের মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবেন।

আওয়ামী লীগ আইনের শাসনে বিশ্বাসী দল উল্লেখ করে দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, জনগণের রায়ই হচ্ছে ক্ষমতার পালাবদলের একমাত্র উপায়। যেকোনও শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে আমরা স্বাগত জানাই। তবে, অযৌক্তিক দাবিতে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডকে আমরা বরদাশত করবো না। বাংলাদেশের মাটিতে এ ধরনের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি আর হতে দেওয়া হবে না।