🕓 সংবাদ শিরোনাম

ইসরাইলকে সমর্থন দিয়েছে বিশ্বের ২৫টির মতো দেশ!বাংলাদেশিদের ভালোবাসা দেখে বিস্মিত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রদূতঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যাত্রী পরিবহনের প্রতিযোগিতায় ট্রাক ও পিকআপখেলার আগে মাঠে ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ালেন কুড়িগ্রামের ক্রিকেটারেরাপাঁচ ঘণ্টা আটকে রেখে থানায় নেওয়া হলো প্রথম আলোর রোজিনা ইসলামকেকর্মস্থলে ফিরতে গাদাগাদি করে রাজধানীমুখী লাখো মানুষশেরপুরে পৃথক ঘটনায় একদিনে ৭ জনের মৃত্যুএক বিয়ে করে দ্বিতীয় বিয়ের জন্যে বড়যাত্রীসহ খুলনা গেল যুবক!আমার মৃত্যুর জন্য রনি দায়ী! চিরকুট লিখে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যাইসরাইলীয় আগ্রাসনের  বিরুদ্ধে ইসলামী বিশ্বের নিন্দার নেতৃত্বে সৌদি আরব

  • আজ মঙ্গলবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৮ মে, ২০২১ ৷

কোন শর্ত ছাড়াই ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র

iran
❏ বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ৯, ২০২০ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ জাতিসংঘকে চিঠি দিয়ে কাসেম সোলেমানি হত্যার যুক্তি তুলে ধরেছে এবং পরিস্থিতি যাতে আরো উত্তেজনার দিকে না যায় সেজন্য ইরানের সঙ্গে আলোচনার দ্বার খোলা আছে বলেও জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

সোলেমানি হত্যার জবাবে মঙ্গলবার (০৭ জানুয়ারি) ইরাকে মার্কিন দুই সামরিক ঘাঁটিতে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। যদিও এতে মার্কিন সৈন্যদের কোনো ক্ষতি হয়নি বলে দাবি ওয়াশিংটনের। কিন্তু ইরান বলছে, হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ৮০ সৈন্য নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ২০০ জন। তাদের ইসরায়েলের তেলআবিবের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে, ইরানও জাতিসংঘে বলেছে, নিজেদের রক্ষার জন্যই এ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দেওয়া চিঠিতে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, তারা আত্মরক্ষার্থেই শীর্ষ ইরানি কমান্ডার সোলেমানিকে হত্যা করেছে। এ হত্যার বদলায় মার্কিন বাহিনীর ওপর ইরানের পাল্টা হামলার পর এখন যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা প্রশমনে ইরানের সঙ্গে কোনোরকম পূর্বশর্ত ছাড়া গুরুগম্ভীর আলোচনায় বসতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে চিঠিতে।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতিসংঘ দূত কেলি ক্র্যাফ্ট বলেছেন,আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তাকে আর বিপদের মুখে ঠেলে না দেওয়া এবং ইরানি প্রশাসনকে আর বাড়বাড়ি না করতে দেওয়ার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় বসতে প্রস্তুত রয়েছে।

চিঠিতে সোলেমানিকে হত্যার যৌক্তিকতাও তুলে ধরে বলা হয়েছে,জাতিসংঘ সনদের ৫১ ধারা মোতাবেকই এ হত্যা চালানো হয়েছে।ওই ধারায় আত্মরক্ষার অধিকারের আওতায় কোনো দেশ এ ধরনের কোনো পদক্ষেপ নিলে তা সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা পরিষদকে অবহিত করতে হয়।

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নাগরিকদের সুরক্ষা এবং স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র এমন পদক্ষেপ আরও নেবে বলেও জানিয়েছে চিঠিতে।

ওদিকে,ইরানও জাতিসংঘ সনদের আর্টিকেল ৫১ মোতাবেক তাদের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার যৌক্তিকতা তুলে ধরেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

জাতিসংঘকে দেওয়া চিঠিতে ইরান বলেছে,তারা যুদ্ধ বাধাতে চায়নি। কেবল আত্মরক্ষার্থে হিসাব-নিকাশ করে এবং ভারসাম্য বজায় রেখেই সামরিক শক্তি দিয়ে ইরাকের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা করে পাল্টা জবাব দিয়েছে।

এ হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার প্রস্তাবের প্রসঙ্গে ইরানের জাতিসংঘ দূত মজিদ তাখত রাভাঞ্চি বলেছেন,যুক্তরাষ্ট্র যেখানে ইরানের ওপর একের পর এক কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে চলেছে সেখানে তাদের আলোচনার এ প্রস্তাব অবিশ্বাস্য ব্যাপার।

ট্রাম্প এর আগেও কোনো পূর্বশর্ত ছাড়াই ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিয়েছিলেন এবং সেপ্টেম্বরে ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির সঙ্গে সাক্ষাৎও করেছিলেন। কিন্তু ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেছিলেন,ইরান কখনো দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় বসবে না। কারণ,এটি ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করার আমেরিকান নীতিরই একটি অংশ।

খামেনি বলেছিলেন,যুক্তরাষ্ট্র ২০১৮ সালে যে পরমাণু চুক্তি থেকে বেরিয়ে গেছে তাতে যদি আবার ফিরে আসে তাহলেই তারা ইরান এবং পরমাণু চুক্তিতে থাকা অন্যান্যদের সঙ্গে বহুপাক্ষিক আলোচনায় অংশ নিতে পারে।