🕓 সংবাদ শিরোনাম

ইসরাইলকে সমর্থন দিয়েছে বিশ্বের ২৫টির মতো দেশ!বাংলাদেশিদের ভালোবাসা দেখে বিস্মিত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রদূতঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যাত্রী পরিবহনের প্রতিযোগিতায় ট্রাক ও পিকআপখেলার আগে মাঠে ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ালেন কুড়িগ্রামের ক্রিকেটারেরাপাঁচ ঘণ্টা আটকে রেখে থানায় নেওয়া হলো প্রথম আলোর রোজিনা ইসলামকেকর্মস্থলে ফিরতে গাদাগাদি করে রাজধানীমুখী লাখো মানুষশেরপুরে পৃথক ঘটনায় একদিনে ৭ জনের মৃত্যুএক বিয়ে করে দ্বিতীয় বিয়ের জন্যে বড়যাত্রীসহ খুলনা গেল যুবক!আমার মৃত্যুর জন্য রনি দায়ী! চিরকুট লিখে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যাইসরাইলীয় আগ্রাসনের  বিরুদ্ধে ইসলামী বিশ্বের নিন্দার নেতৃত্বে সৌদি আরব

  • আজ মঙ্গলবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৮ মে, ২০২১ ৷

মেয়ে ধর্ষণের বিচার চেয়ে কাঁদলেন টিএসসির স্বপন মামা

du
❏ বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ৯, ২০২০ শিক্ষাঙ্গন

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ নিজের প্রতিবন্ধী মেয়ের ধর্ষণের বিচার চেয়ে কাঁদলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) পরিচিত মুখ চা বিক্রেতা স্বপন মামা। টিএসসিতে সবাই স্বপন মামা বলে ডাকলেও, তার নাম আব্দুল জলিল।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ঢাবি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের এক মানববন্ধনের আয়োজন করলে সেখানে এসে সংহতি প্রকাশ করেন তিনি।

মানববন্ধনে তাকে প্ল্যাকার্ড হাতে দেখা গেছে। এসময় স্বপন মামা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী সহ তার প্রতিবন্ধী মেয়ের ধর্ষণের বিচার চান। বিচার চেয়ে দেওয়া বক্তব্যের মাঝে তিনি কেঁদে ফেলেন। শিক্ষার্থীদের সাথে মানবন্ধনে অংশ নেওয়া জলিল ওরফে স্বপন মামার ছবি ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণের প্রতিবাদে আমি একাত্মতা ঘোষণা করলাম। আমারও এক মেয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে। আমি এর বিচার পাইনি।’ এ সময় তার চোখ থেকে পানি গড়িয়ে পড়তে দেখা যায়।

আব্দুল জলিল বলেন, ‘আমি যেন এর বিচারটা পাই, এ ব্যবস্থা আপনারা সবাই করবেন। আর যেন কোনো দিন কোনো মেয়ে ধর্ষণের শিকার না হয়, সেই ব্যবস্থা আপনারা করবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি এ ক্যাম্পাসে অনেক দিন ধরে আছি। এ ক্যাম্পাসের সঙ্গে আমি জড়িত। এই রকম ধর্ষণ যেন আর না হয়। এ রকম কারও চোখে যেন আর পানি না আসে। এ ব্যবস্থা যেন সরকার করে। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন করছি, আমি যেন সঠিক বিচার পাই।’

প্রসঙ্গত গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর স্বপন মামার প্রতিবন্ধী মেয়েকে একই গ্রামের বাচ্চু মিয়া (৭০) ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। ওইদিনই অভিযুক্তসহ তার দুই ভাই বাহার ও আক্কাসকে আসামি করে মামলা করার পর বাচ্চু মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর ছয় মাস পর অভিযোগপত্র জমা দেয়া হয়। কিন্তু ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাব্যুনাল আসামিকে ২৭ নভেম্বর জামিন দিয়ে দেন। এরপর আসামিপক্ষের লোকজন স্বপন, তার ছেলে রনি এবং চাচাতো ভাইকে আসামি করে প্রথমে মাদকের ও ডাকাতির মামলা করে।