সংবাদ শিরোনাম
পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে বিএনপি’র দহরম-মহরম পুরনো: তথ্যমন্ত্রী | জিনজিয়ানের ১৬ হাজার মসজিদ গুঁড়িয়ে দিল চীন | কক্সবাজারে ছাত্রলীগ নেতার রগ কেটে দিলো শিবির নেতা | নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য এবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন মনোনীত | সীমান্ত থেকে ফেরত গেল ১২ হাজার টন ভারতীয় পেঁয়াজ | মানুষের আস্থা পেয়েছি বলেই দেশ স্থিতিশীল আছে: প্রধানমন্ত্রী | দেশে কমেছে করোনা শনাক্ত, মৃত বেড়ে ৫০৯৩ | এই দিনই দিন না, আরও দিন আছে: রিজভী | ‘৭৫ এর মত দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র এখনও চলছে’- প্রধানমন্ত্রী | করোনাপরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সার্কের দেশগুলোকে এক হয়ে কাজ করার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর |
  • আজ ১০ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘আল্লাহর শপথ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালিয়ে যাব’- সোলাইমানির মেয়ে

১০:৫৩ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, জানুয়ারি ১০, ২০২০ আন্তর্জাতিক
solll

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় নিহত ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কুদস ফোর্সের প্রধান মেজর জেনারেল কাসেম সোলাইমানির মেয়ে জেইনাব বলেছেন, আল্লাহর শপথ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আজীবন সংগ্রাম চালিয়ে যাব।

আজ শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) তার বাবার জন্মশহর কেরমানে জুমার নামাজের খুতবার আগে দেয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, তার বাবাকে হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে বড় বোকামি করেছে। কারণ এর ফলে ইরানের প্রতিরোধ সংগ্রাম মোটেও দুর্বল হয়নি। বরং সারা বিশ্বের স্বাধীনচেতা মানুষ ও যুবসমাজ জেগে উঠেছে এবং তাদের ঐক্য আরও জোরদার হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমার বাবা কাসেম সোলাইমানি সারা বিশ্বের কাছে প্রমাণ করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র হলো সবচেয়ে বড় শয়তান। এক সোলাইমানির শাহাদাতের প্রতিশোধ নিতে এখন কয়েক হাজার সোলাইমানি হোয়াইট হাউসের দিকে যেতে প্রস্তুত।

এ সময় প্রথা অনুযায়ী এ সময় তার বাম হাতে ছিল অস্ত্র। ইরানে জুমার নামাজে ভাষণ ও খুতবার সময় পাশে একটি রাইফেল রাখা হয়। সাধারণত বক্তব্য দেয়ার সময় বক্তা এমনকি খতিব নিজেও রাইফেলটি এক হাত দিয়ে ধরে রাখেন।

জেইনাব তার বাবার প্রতি কোটি কোটি মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রদর্শনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এছাড়া তার বাবার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এসে পদপিষ্ট হয়ে নিহত হওয়া ইরানিদের পরিবারের উদ্দেশে শোক ও সমবেদনা জানান তিনি।

উল্লেখ্য গত ৩ জানুয়ারি ইরাকের বাগদাদ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কুদস ফোর্সের প্রধান এবং ইরাকি মিলিশিয়া কমান্ডার আবু মাহদি আল-মুহান্দিসসহ বেশ কয়েকজন নিহত হন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের সদর দপ্তর পেন্টাগন জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে এই হামলা চালানো হয়। অন্যদিকে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কঠোর প্রতিশোধ অপেক্ষা করছে।

এর জবাবে ৮ জানুয়ারি দুটি মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ৮০ জন নিহত এবং ২০০ জন আহত হন বলে জানায় ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে বলেন, ইরানের হামলায় কোনও আমেরিকান আহত বা নিহত হননি।