• আজ রবিবার,২৬ বৈশাখ, ১৪২৮ ৷ ৯ মে, ২০২১, সকাল ৭:৩২

যুক্তরাষ্ট্রকে সেনা প্রত্যাহার করতে বলল ইরাক

❏ শুক্রবার, জানুয়ারী ১০, ২০২০ আন্তর্জাতিক
iraq

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আদেল আবদুল মাহদি মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের প্রস্তাব বাস্তবায়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিনিধি দল পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন। গতকাল (৯ জানুয়ারি) রাতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওকে টেলিফোন করে এ আহ্বান জানান তিনি।

ইরানের কুদস বাহিনীর প্রধান জেনারেল সোলাইমানির মার্কিন ড্রোন হামলায় মৃত্যুর পরই আন্দোলিত হয়ে উঠেছে তামাম উপসাগরীয় অঞ্চল। বাগদাদে হত্যা করা হয়েছিল সোলাইমানিকে। এই অবস্থায় গোড়া থেকেই চাপে ছিল ইরাক। কিন্তু তার পর মুসলিম দেশগুলিতে এতোটাই ক্ষোভ উগরে উঠেছে যে শেষমেষ কদিন আগে ইরাকের সংসদেও প্রস্তাব পাশ করিয়ে বলা হয়েছিল যে তাদের দেশের মাটি থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করতে হবে।

যদিও তখনও প্রশ্ন উঠেছিল যে সংসদ প্রস্তাব পাশ করলেই হবে না। ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আদেল আবদুল মেহেদি ওই প্রস্তাবে সই না করা পর্যন্ত নিশ্চিন্ত থাকতে পারে আমেরিকা। কিন্তু ঘটনা হল, মেহেদির নিজের গদিই নড়বড়ে। সংসদের গরিষ্ঠ সংখ্যক সদস্যের মতের কাছে নতি স্বীকার করা ছাড়া তারও উপায় ছিল না।

ইরাক সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গতকাল রাতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী। এ সময় মাইক পম্পেওকে ‘ইরাক থেকে বিদেশি সেনা প্রত্যাহার’ সংক্রান্ত সংসদের প্রস্তাব কার্যকর করতে মার্কিন প্রতিনিধিদের ইরাকে পাঠানোর অনুরোধ করেন তিনি।

সেসময় ইরাকের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মার্কিন বাহিনী ইরাকি কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই সেদেশের আকাশসীমায় ড্রোন ব্যবহার করেছে, যা দ্বিপাক্ষিক চুক্তির লঙ্ঘন।”

আব্দুল-মাহদি বলেন, মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় ইরানেরই সলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কুদস ফোর্সের প্রধান মেজর জেনারেল কাসেম সোলাইমানির মৃত্যুসহ সব ধরনের ইরাকি সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন প্রত্যাখ্যান করছে ইরাক।

গত ৩ জানুয়ারি বিদেশি সেনা প্রত্যাহারের দাবিতে ইরাকের সংসদে এই প্রস্তাবটি পাস হয়।

এর আগে গত ৩ জানুয়ারি ইরাকের বাগদাদ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কুদস ফোর্সের প্রধান এবং ইরাকি মিলিশিয়া কমান্ডার আবু মাহদি আল-মুহান্দিসসহ বেশ কয়েকজন নিহত হন।