সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ল ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত | বাসায় নিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ: এবার ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার | পা হারানো রাসেলকে আরও ২০ লাখ টাকা দেওয়ার নির্দেশ | প্রথম আলো সম্পাদকসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য | আত্রাইয়ে বন্যার্তদের মাঝে উপজেলা প্রশাসনের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ | টিম পজিটিভ বাংলাদেশের পক্ষে ৫০০ ছিন্নমূল মানুষকে খাওয়ালেন রাব্বানী | দেবীগঞ্জে বাড়িতে হামলার বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীর মিছিল | কাশ্মীর সীমান্তে পাকিস্তানের হামলায় ভারতীয় সেনা নিহত | বিতর্কিত অঞ্চল না ছাড়া পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার হুমকি আজারবাইজানের | আবারও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে উড়াল দিচ্ছেন সাকিব |
  • আজ ১৬ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ইসির উদ্যোগে চট্টগ্রামেও ভোট ডাকাতি হলো: বিএনপি

৭:১৪ অপরাহ্ণ | সোমবার, জানুয়ারি ১৩, ২০২০ ঢাকা

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- নির্বাচন কমিশন ও সরকারের কড়া সমালোচনা করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘আজ চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপ-নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন এবং সরকারদলীয় সন্ত্রাসীরা আবারও ভোট ডাকাতির যে ঘৃণ্য নজির স্থাপন করল আমি এর তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ধিক্কার জানাচ্ছি।’

সোমবার বিকেলে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘অবশেষে আজ চট্টগ্রাম- ৮ আসনের উপ-নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা সাহেব নিজের কেরামতি অক্ষুণ্ন রাখতে পেরেছেন। আজও সিইসির তত্ত্বাবধানে চট্টগ্রাম উপ-নির্বাচনে মহাভোট ডাকাতির ঐকান্তিক উদ্যোগ লক্ষ্য করা গেছে। ভোট-সন্ত্রাসকে জাতীয় জীবনে অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে প্রতিষ্ঠিত করেছেন নুরুল হুদা।’

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদার সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, ‘আজও ভোট লুটের রমরমা আয়োজন সম্পন্ন করেছেন কে এম নুরুল হুদা। হুদা কমিশন ভোট ডাকাতির বৈধতা দানের সিলমোহরে পরিণত হয়েছে। তিনি সুষ্ঠু নির্বাচনের শত্রুপক্ষ। তিনি গণতন্ত্রের শত্রু। তিনি বিএনপিসহ বিরোধী দল ও মতের সঙ্গে শত্রুতামূলক আচরণ করেন। বিষাক্ত সাপকেও বিশ্বাস করা যায়, কিন্তু তার অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন বিশ্বাস করা যায় না। তিনি একদলীয় রাজনীতির দৃঢ় বিশ্বাসের দ্বারা অনুপ্রাণিত।’

রিজভী বলেন, চট্টগ্রাম-৮ আসনে উপ-নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোটের আগের দিন বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে হুমকি-ধামকি, হামলা আর ভোটের দিন ভোটকেন্দ্রে আসতে বাধা প্রদান করা হয়েছে। ধানের শীষের প্রার্থীর সমর্থক ও ভোটারদের প্রতিনিয়ত নিগৃহিত করা হয়েছে। প্রতিমূহুর্তে ধানের শীষের সমর্থক ও ভোটাররা হিংসার সম্মুক্ষীণ হয়েছেন। সারা আসন জুড়ে সর্বত্রই অত্যাচারের চিত্র ছিল একই রকম। ১৭০টির মধ্যে সকালবেলায় ১২০টি ভোটকেন্দ্র থেকে এবং পরে সকাল ১১টার মধ্যে সবকটি কেন্দ্র দখল করে বিএনপি প্রার্থীর এজেন্টদের বের করে দিয়েছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা।

তিনি বলেন, বহিরাগতদের ভোটকেন্দ্রে এসে ভোটের লাইন দেখানো হলেও ঐ এলাকার কোন ভোটারই ভোট দিতে পারেনি। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, যুবদল নেতা খোরশেদ ও রফিকের ওপর হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করেছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। তারা এখন হাসপাতালে মুমূর্ষু অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন। এমনকি বিএনপি’র বর্ষীয়ান নেতা ৮০ বছর বয়স্ক এ্যাডভোকেট ইসাহাকের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে তাকেও আহত করেছে সন্ত্রাসীরা।

এই ভোট সন্ত্রাস চলাকালে রিটার্নিং কর্মকর্তা হাসানুজ্জামানের কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়া হলেও তিনি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। এসব অপকর্মে সহায়তা করেছে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।