‘দেশে ভিক্ষুকের সংখ্যা আড়াই লাখ’- সমাজকল্যাণমন্ত্রী

৯:০৪ অপরাহ্ণ | সোমবার, জানুয়ারি ১৩, ২০২০ ফিচার
desh

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ জানিয়েছেন, সরকারের বিভিন্ন শাখার তথ্য অনুযায়ী দেশে আড়াই লাখ ভিক্ষুক রয়েছে। এ ভিক্ষুকদের পুনর্বাসনে চলতি অর্থবছরে চারকোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ রয়েছে বলেও তিনি জানান।

সোমবার (১৩ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে মন্ত্রীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য দিদারুল আলমের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ তথ্য জানান। এসময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন। এ প্রপ্রশ্নোত্তর পর্ব টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, দেশে ভিক্ষুকের সংখ্যা নির্ধারণের জন্য সমন্বিতভাবে কোনো জরিপ পরিচালিত হয় না। তবে বিভিন্ন জেলায় জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে জরিপ পরিচালিত হচ্ছে। দেশের সব জেলায় জেলা প্রশাসক ও উপ-পরিচালক জেলা সমাজসেবা কার্যালয় থেকে ভিক্ষুক পুনবাসনের জন্য প্রাপ্ত চাহিদাপত্রে মোট ২ লাখ ৫০ হাজার ভিক্ষুক রয়েছে বলে জানা যায়। এ ভিক্ষুকদের পুর্নবাসনের জন্য মোট ৪৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ভিক্ষুক পুর্নবাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান কর্মসূচিতে প্রাপ্ত ৩ কোটি টাকা জেলাগুলোতে পাঠানো হয়। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। এ তথ্য অনুসারে দেশের ০ দশমিক ১৭ শতাংশ মানুষ ভিক্ষাবৃত্তির মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে। ভিক্ষুক পুর্নবাসনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জেলাগুলোতে জেলা প্রশাসকদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।

সরকারি দলের এ কে এম রহমতুল্লাহ’র প্রশ্নের লিখিত জবাবে মন্ত্রী জানান, সরকারি শিশু পরিবারে পিতৃহীন অথবা পিতৃ-মাতৃহীন শিশুদের পারিবারিক পরিবেশে স্নেহ-ভালবাসা ও যত্নের সঙ্গে ছয় বছর থেকে ১৮ বছর পর্যন্ত লালন-পালন করা হয়। ১৮ বছর উত্তীর্ণদের বিবাহ, চাকুরি, সামাজিক, প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষার মাধ্যমে পুনর্বাসন কর হয়।

সংসদ সদস্য মমতা হেনা লাভলীর প্রশ্নের লিখিত জবাবে মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধকল্পে এবং শিক্ষার্থীদের আরো বেশি বিদ্যালয়মুখী করে গড়ে তুলতে সরকার থেকে ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ক্যাচমেন্ট এলাকার শতভাগ শিশু বিদ্যালয়ে ভর্তি হচ্ছে, শতভাগ বিদ্যালয়ে মিডডে মিল চালু হয়েছে। উল্লেখযোগ্য হারে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া হ্রাস পেয়েছে। এছাড়া বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য শারিরীক ও মানসিক শাস্তি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।