• আজ ৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

৭ মাস আগে সোলাইমানি হত্যায় অনুমোদন দেন ট্রাম্প

৪:৩১ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, জানুয়ারি ১৪, ২০২০ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- সাত মাস আগেই ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যায় কর্তৃত্ব দিয়ে রেখেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও তাতে শর্ত উল্লেখ করে কোনো চূড়ান্ত ঘোষণা দেয়া হয়নি।

পাঁচ সাবেক ও বর্তমান প্রশাসনিক কর্মকর্তার বরাতে এনবিসি নিউজ জানিয়েছে, যদি ইরানের ক্রমবর্ধমান আগ্রাসনে কোনো আমেরিকানের মৃত্যু হয়; তবেই সোলাইমানিকে হত্যায় কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযান পরিচালনা করা যাবে।

ডেইলি মেইলের খবরে বলা হয়েছে, আসন্ন হুমকির কথা বলে সোলাইমানিকে হত্যা করা হলেও নতুন ফাঁস হওয়া তথ্য সেই দাবিকে আরও জটিল পরিস্থিতিতে ফেলে দিয়েছে।

মার্কিন বাহিনী বিশ্বাস করে, কয়েক মার্কিন নাগরিকের মৃত্যুর জন্য ইরানের এ শীর্ষ জেনারেল দায়ী। ইরান একটি মার্কিন ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করার পরেই এমন নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল।

ইরাকে ইরানি ছায়া বাহিনীর হামলার জবাবে ট্রাম্পের কাছে যেসব বিকল্প তুলে ধরা হয়, তার মধ্য দিয়ে সেখানে সোলাইমানি হত্যার সিদ্ধান্তকে বেছে নেয়া হয়েছে।

এদিকে সোলাইমানিকে হত্যা করার পক্ষে সাফাই গেলে সোমবার এক সংক্ষিপ্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, সোলাইমানি বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসী ছিল।

তিনি বলেন, আমরা বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসী কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা করেছি। লোকটি বহু আমেরিকান ও অনেক মানুষকেও মেরে ফেলেছে এবং তাকে আমরা হত্যা করেছি।

ট্রাম্প আরও বলেন, ডেমোক্রেটসা যখন তাকে রক্ষা করার চেষ্টা করে, যা এই দেশের জন্য অপমানজনক।

উলেখ্য, গত ৩ জানুয়ারি বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন ড্রোন হামলায় জেনারেল কাসেম সোলেইমানি নিহত হন। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধে ইরাকে অবস্থিত দুটি সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে প্রচণ্ড উত্তেজনা দেখা দেয়।

এদিকে ইরানের ভুলবশত ক্ষেপনাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনের এক বিমান বিধ্বস্ত হয়। এতে ৫৬ জন কানাডার নাগরিক, ৮২ জন ইরানি, ১১ জন ইউক্রেনিয়ন, ১০ জন সুইডিশ এবং চারজন আফগান নাগরিক মারা যায়। এনিয়ে দেশটিতে ইরানি সরকার বিরোধী আন্দোলনে নেমেছে।