• আজ শুক্রবার, ২২ শ্রাবণ, ১৪২৮ ৷ ৬ আগস্ট, ২০২১ ৷

সবজিখ্যাত বগুড়ায়ও নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি


❏ মঙ্গলবার, জানুয়ারী ২১, ২০২০ দেশের খবর, রাজশাহী

সাখাওয়াত হোসেন জুম্মা, বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়া সবজিখ্যাত জেলা হিসেবে পরিচিত হলেও এই ভরা মৌসুমেও দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। এই শীতের মৌসুমে বিভিন্ন রকমের সবজি বাজারে উঠলেও দুই একটি সবজি ছাড়া উর্ধ্বমূখী বেশিরভাগ সবজির দাম। এবছর কাঁচা বাজার করা খানিকটা চাপের হয়ে গেছে মধ্যবিত্তের কাছে, এ সময়ের মধ্যে কয়েক দফায় বেড়েছে নিত্যদিনের অতি নিত্যপণ্য সামগ্রীর দাম।

দাম বেড়েছে আটা-ডালসহ বিভিন্ন মশলার, কমছেনা আলুর দাম, বেড়েছে ভোজ্যতেলের দাম। ধীরে ধীরে একসাথে বাড়ায় এর প্রভাব পড়েছে ক্রেতাদের মধ্যে, অবশ্য এদের মধ্যে এখনো প্রথম স্থান দখল করে রয়েছে পেঁয়াজ, প্রতি কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকা, বিদেশি পেঁয়াজ কেজিতে ৭০-৮০ টাকা।

মঙ্গলবার জেলা শহরের রাজাবাজার, ফতেহ্ আলী বাজার, লতিফপুর কলোনী বাজার ঘুরে দেখা যায়, শীতকালীন সবজি মুলা ও পেঁপে ছাড়া সব ধরনের সবজির কেজি ৪০ টাকা থেকে ৭০টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে।

তুলনামূলক বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরণের মাছ, যদিও বিক্রেতারা বলছেন দাম আগের মতই রয়েছে। বেড়েছে এলাচের দাম, মসুর ডাল কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশিতে বিক্রি হচ্ছে, ভোজ্যতেল প্রতি লিটারে ১০ থেকে ১২ টাকার বেশি বিক্রি হতে দেখা যায়।

তবে আদা রসুনের দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে। বাজারে সব ধরনের চাল বিক্রি হচ্ছে আগের দামে। ডিম প্রতি হালিতে ২ টাকা বেড়ে ৩২টাকা, আটা কেজিতে ৫ টাকা বেড়েছে, এছাড়াও শহরের ফতেহ আলী বাজারে প্রতি কেজি আলু মান ভেদে ২৫-৩০ টাকা, প্রতি পিস বড় সাইজের ফুলকপি মান ভেদে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, বাধাকপি মান ভেদে ২৫ থেকে ৩০ টাকা, টমেটো কেজিতে ৫০টাকা, গাঁজর ৩০-৩৫ টাকা, মুলা মান ভেদে ২০ থেকে ২৫ টাকা, মটরশুটি কেজিতে ৮০-৯০ টাকা, শিম মান ভেদে ৩০ টাকা থেকে ৪০ টাকা, বেগুন ৪০ টাকা, লাউ প্রতি পিছ আকার ভেদে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, আদা ও রসুন ১৬০-১৮০টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা ব্যবসায়ি মামুন বলেন এখন আর শীতকালিন সবজির দাম কমবে না বরং বাড়বে, চাহিদার তুলনায় বাজারে সরবরাহ কম তাই দাম বেশি।

এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির নতুন করে দাম না বাড়লেও কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা, পাকিস্থানী মুরগি ১৮০-১৯০ টাকা, দেশি মুরগি ৩৪০টাকা থেকে ৩৫০টাকা, গরু-খাসির মাংস, চালসহ বেশির ভাগ নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল। ২ থেকে আড়াই কেজি ওজনের কাতলা মাছ ৩০০ টাকা থেকে ৩৫০টাকায় ২ কেজি ওজনের রুই ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে।

বাজার করতে আসা চাকুরীজীবি মিসেস হাবিবা হোসেন বলেন, বাজারে এসে প্রতি মুহূর্তে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির কারনে হিমশিম খেতে হচ্ছে আমাদের মত মধ্যবিত্তদের। হাতের নাগালে নেই কোনো নিত্যপণ্যের দাম। তবে বাজারে মাছ বিক্রেতা আক্কাছ আলী বলেন সপ্তাহের ব্যবধানে মাছের দাম বাড়েনি।

সবজি বিক্রেতা বাবু মিঞা বলেন, পাইকারী বাজার থেকে বেশী দামে কিনতে হয় বলে বাজারে মুল্য বৃদ্ধি হয়েছে। তবে সরবরাহ বাড়লে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বাজার স্থিতিশীল হতে পারে।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন