সংবাদ শিরোনাম
‘দেশে আজ আর কেউ না খেয়ে থাকে না’- পরিকল্পনামন্ত্রী | বর্ণাঢ্য আয়োজনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত | কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদে প্রতি বছর বৃত্তি পাবে ৭ শিক্ষার্থী | এবার রাবিতে মাতৃভাষা দিবসের ব্যানারে বীরশ্রেষ্ঠদের ছবি | ‘বর্তমানে আমরা পাকিস্তান আমলের চেয়েও খারাপ অবস্থায় আছি’- অলি আহমদ | ‘শত্রুরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে একাত্তরের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিয়েছিল’ | আন্ডারওয়ার্ল্ডের নেতৃত্ব দিতে ঢাকায় এসে গ্রেফতার শাকিল | ‘গৃহহীনদের ঘর তৈরি করে দেবো’- প্রধানমন্ত্রী | কুড়িগ্রামে সাবেক এমপি‘র আত্মহত্যার হুমকি! | চলন্ত ট্রেনে উঠতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের মৃত্যু |
  • আজ ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

হাত-পা বেঁধে গৃহবধূর চুল কেটে দিলেন স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ি

৮:৫৫ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, জানুয়ারি ২৪, ২০২০ দেশের খবর, রাজশাহী

আব্দুল লতিফ রঞ্জু, পাবনা প্রতিনিধি- পারিবারিক কলহের জেরে পাবনার ভাঙ্গুড়ায় খাদিজা খাতুন (২৫) নামের এক গৃহবধূকে মারধর করে হাত-পা ও মুখ বেঁধে চুল কেটে দিয়েছেন তার স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ি। পরে বাড়ি থেকে পালিয়ে পাশের মামার বাড়িতে আশ্রয় নেন ওই গৃহবধূ।

উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামে বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতিতা খাদিজা ওই গ্রামের শাহেদ ফকিরের স্ত্রী। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূ শুক্রবার ভাঙ্গুড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খাদিজা খাতুন জানান, পারিবারিক অভাব-অনটন নিয়ে মাদকাসক্ত স্বামী শাহেদ হোসেন সাথে প্রায়ই ঝগড়া হয় দুই সন্তানের জননী খাদিজা খাতুনের। এরই জেরে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে খাদিজার শোবার ঘরে ঢুকে তার স্বামী শাহেদ, শ্বশুর মালেক ফকির ও শাশুড়ি শাহিদা খাতুন মারধর করে। এক পর্যায়ে খাদিজার হাত-পা ও মুখ বেঁধে কাঁচি দিয়ে চুল কেটে দেয় তারা।

পরে এ ঘটনা কারো কাছে প্রকাশ করবেনা শর্তে খাদিজাকে ছেড়ে দেয় তার স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ি। শুক্রবার ভোরে সুযোগ বুঝে খাদিজা বাড়ি থেকে পালিয়ে পাশেই তার মামা আবুল কালামের বাড়িতে আশ্রয় নেন। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় গৃহবধূকে।

এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানা জানান, হাসপাতালে গৃহবধূর খোঁজখবর নিয়ে তাকে অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। আসামিদের ধরতে পুলিশ এরই মধ্যে অভিযান শুরু করেছে।

Loading...