সংবাদ শিরোনাম
শেকৃবির হল থেকে ছাত্রলীগ নেতার বিছানাপত্র ফেলে দিল কর্মীরা | ‘দেশে আজ আর কেউ না খেয়ে থাকে না’- পরিকল্পনামন্ত্রী | বর্ণাঢ্য আয়োজনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত | কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদে প্রতি বছর বৃত্তি পাবে ৭ শিক্ষার্থী | এবার রাবিতে মাতৃভাষা দিবসের ব্যানারে বীরশ্রেষ্ঠদের ছবি | ‘বর্তমানে আমরা পাকিস্তান আমলের চেয়েও খারাপ অবস্থায় আছি’- অলি আহমদ | ‘শত্রুরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে একাত্তরের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিয়েছিল’ | আন্ডারওয়ার্ল্ডের নেতৃত্ব দিতে ঢাকায় এসে গ্রেফতার শাকিল | ‘গৃহহীনদের ঘর তৈরি করে দেবো’- প্রধানমন্ত্রী | কুড়িগ্রামে সাবেক এমপি‘র আত্মহত্যার হুমকি! |
  • আজ ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ঢাবির ১৮ হলে `বঙ্গবন্ধু কর্নার` উদ্বোধন

১০:২৬ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, জানুয়ারি ২৪, ২০২০ শিক্ষাঙ্গন
duu

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীকে স্মরণ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ১৮টি হলের প্রতিটির হল-গ্রন্থাগার ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে বঙ্গবন্ধু কর্নার স্থাপন করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) উদ্যোগে এই বঙ্গবন্ধু কর্নার স্থাপন করা হয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) অডিটোরিয়ামে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো.আখতারুজ্জামান ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে একযোগে ১৮টি হলের গ্রন্থাগারে বঙ্গবন্ধু কর্নার উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ ও বঙ্গবন্ধু চেয়ার বিইউপির অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ।

বঙ্গবন্ধু কর্নার স্থাপনের জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে আব্দুর রহমান বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি হলের গ্রন্থাগারে ‘বঙ্গবন্ধু কর্ণার’ স্থাপন করছে ডাকসু। এটা দেখে আজকে আনন্দ রাখার জায়গা নেই ।আর এটা তখনই হলো, যখন আমরা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালনের দিন-ক্ষণ গণনা শুরু করছি।এটি আমাদের আবেগের একটি মাইলফলক। আমি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। যে কাজটি আমরা করে যেতে পারিনি, আজকে ডাকসু করল। এজন্য আমি ডাকসুকে অভিনন্দন জানিয়ে খাটো করতে চাই না। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে পারবেন।

অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন বলেন, যে মানুষটির নামে আমাদের আত্মপরিচয়, তাকে এতো বিলম্বিত স্বীকৃতি কেন? যাই হোক, তারপরও তো হয়েছে। এজন্য আমি আনন্দবোধ করছি। বঙ্গবন্ধুর সৈনিক বললেই তা হওয়া যায় না। বরং তার আদর্শকে ধারণ করতে হয়। আমি আশা করবো, তরুণেরা বঙ্গবন্ধুকে অনুসরণ ও অনুকরণ করবে।

তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কথা বলতে গেলে আমার হৃদয়ে সাগরের ঢেউ ওঠে। কারণ মানুষটিকে আমি যত অধ্যয়ন করছি, ততই বিমুগ্ধ ও বিস্মিত হয়েছি। এটা এজন্যে যে, একজন মানুষের মাঝে কী করে এতো গুণাবলির সমন্বয় হয়? আমি বঙ্গবন্ধু চেয়ারের অধ্যাপক হওয়ায়, তাকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অধ্যয়নের সুযোগ পেয়েছি। এখন এই বঙ্গবন্ধু কর্ণার থেকে শিক্ষার্থীরাও বঙ্গবন্ধুকে ব্যাপকভাবে জানতে পারবে।

আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সিনেট সদস্য সনজিত চন্দ্র দাস, ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর এজিএস সাদ্দাম হোসেন।

ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্ত্রাস বিরোধী ঐক্য গঠনের সমালোচনা করে বলেন, ডাকসু ভিপি নুরুল হককে সাধারণ শিক্ষার্থীরা বর্জন করেছে। জঙ্গি সংগঠন শিবিরের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা ভিপিকে বলতে চাই, আপনারা যে সন্ত্রাস বিরোধী ঐক্য গড়ে তুলেছেন, সেটা কিসের সন্ত্রাসবিরোধী ঐক্য? এটাতো জঙ্গির মদদে গড়া ঐক্য। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এবং ডাকসুতে ছাত্রলীগ থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধি সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে, এরকম নাম সর্বস্ব সংগঠন জঙ্গী কার্যক্রম করতে পারবেনা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডাকসুর স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক ও ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ বিন কাদের চৌধুরী।

Loading...