সংবাদ শিরোনাম
রিজভীর ওপর হামলার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ | ‘সঠিক নেতৃত্ব দেন, না হলে আমাদেরকে নেতৃত্ব ছেড়ে দেন’- বিএনপিকে অলি | শেকৃবির হল থেকে ছাত্রলীগ নেতার বিছানাপত্র ফেলে দিল কর্মীরা | ‘দেশে আজ আর কেউ না খেয়ে থাকে না’- পরিকল্পনামন্ত্রী | বর্ণাঢ্য আয়োজনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত | কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদে প্রতি বছর বৃত্তি পাবে ৭ শিক্ষার্থী | এবার রাবিতে মাতৃভাষা দিবসের ব্যানারে বীরশ্রেষ্ঠদের ছবি | ‘বর্তমানে আমরা পাকিস্তান আমলের চেয়েও খারাপ অবস্থায় আছি’- অলি আহমদ | ‘শত্রুরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে একাত্তরের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিয়েছিল’ | আন্ডারওয়ার্ল্ডের নেতৃত্ব দিতে ঢাকায় এসে গ্রেফতার শাকিল |
  • আজ ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

সীমান্তে হত্যার প্রতিবাদে জাবি ছাত্রের অনশন

১১:৪৬ অপরাহ্ণ | শনিবার, জানুয়ারি ২৫, ২০২০ শিক্ষাঙ্গন
juuuu

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে হত্যার প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকায় আমরণ অনশন শুরু করেছেন এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী। আরিফুল ইসলাম ওরফে আদীব নামের ওই তরুণ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগে স্নাতকোত্তরে (৪৩ ব্যাচ) অধ্যয়নরত। আরিফুল সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক।

শনিবার (২৫ জানুয়ারি) বেলা পৌনে তিনটার দিকে চার দফা দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই অনশনে বসেন তিনি। আদীবের গ্রামের বাড়ি বরিশাল সদরে। পরে রাত সাড়ে সাতটার দিকে ‘নিরাপত্তার’ কারণে সেখান থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে গিয়ে অনশনে বসেন তিনি।

আদিবের দাবিগুলো হলো- ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সব হত্যার আন্তর্জাতিক আইনে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করা, ভারতকে সীমান্তে হত্যার জন্য ক্ষমা চেয়ে আর হত্যা না করার প্রতিশ্রুতি দিতে হবে, সীমান্তে হত্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সব পরিবারকে তদন্ত সাপেক্ষে দুই দেশের যৌথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং জাতীয় সংসদে সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদ করে নিন্দা জানাতে হবে।

আরিফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, গত ২২ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদে (ডাকসু) হামলার সময় আমিও ভিপি নুরুল হকের সঙ্গে আহত হই। চিকিৎসক আমাকে তিন মাস বিশ্রামে থাকতে বলেছেন।

‘বিশ্রামের এক মাস শেষ হয়েছে, এখনো পুরোপুরি সুস্থ হইনি। তবে বিবেকের তাড়না ও দেশের প্রতি দায়বদ্ধতায় আমি ফের রাস্তায় নেমেছি।’

তিনি বলেন, ‘আমার এই চার দফা দাবির প্রতি রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট বক্তব্য আসার আগপর্যন্ত অনশন ভাঙব না।’

প্রেসক্লাবের সামনে থেকে রাজু ভাস্কর্যে কেন গেলেন—এমন প্রশ্নে আরিফ বলেন, ‘প্রেসক্লাবের সামনে পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগের সদস্যরা এসেছিলেন। তাঁদের কাছে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা চেয়েছিলাম। তাঁরা আমাকে সেখানে রাতে না থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। নিরাপত্তার বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কায় রাজু ভাস্কর্যের সামনে এসেছি। সকালে সম্ভবত আবারও প্রেসক্লাবের সামনে যাব। এখনো নিশ্চিত সিদ্ধান্ত নিইনি।’

Loading...