🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ শনিবার, ৯ শ্রাবণ, ১৪২৮ ৷ ২৪ জুলাই, ২০২১ ৷

সব ধরনের বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার দোআ!


❏ সোমবার, জানুয়ারী ২৭, ২০২০ ইসলাম

ইসলাম ডেস্ক- বিপদ-আপদ মানুষের নিত্যসঙ্গী। বিপদ বলে-কয়ে আসে না। কখন কার ওপর সমস্যা, দুর্বিপাক নেমে আসে তা কেউ জানে না। স্বাভাবিকত বিপদ বা সঙ্কটে পড়লে মানুষ হতবিহ্বল হয়ে যায়। মানুষের চিন্তা-ভাবনা বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়ে। দিশেহারা হয়ে করণীয় ভুলে যায়।

বিপদে পড়লে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতে হয়। তিনিই একমাত্র উদ্ধারকারী। তিনি চাইলে মুহূর্তেই বিপদ থেকে মুক্তি দিতে পারেন। পেরেশানির কুহেলিকা হটিয়ে দিতে পারেন।

বিপদাপদ থেকে পরিত্রাণের জন্য পবিত্র কোরআন এবং রাসুল (সা.) এর হাদিসে কিছু দোয়াও আমলের কথা বর্ণিত হয়েছে। আনাস (রা.) বলেন, ‘যখন রাসুলুল্লাহ (সা.)- এর ওপর কোনো কাজ কঠিন হয়ে দেখা দিত, তখন তিনি এ দোয়াটি পড়তেন।’ (তিরমিজি মিশকাত, হাদিস নম্বর: ২৪৫৪)

উচ্চারণ: ‘ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুমু বিরাহমাতিকা আসতাগিছ।’

অর্থ: হে চিরঞ্জীব! হে বিশ্ব চরাচরে ধারক! আমি তোমার রহমতের আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

দোয়ায়ে ইউনুস (আ.): রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, মাছের পেটে ইউনুস (আ.) এ দোয়া পড়ে আল্লাহকে ডেকে ছিলেন এবং মুক্তি পেয়েছিলেন। যদি কোনো মুসলিম বিপদে পড়ে এ দোয়া পাঠ করে, আল্লাহ তা কবুল করবেন।’ (আহমাদ, তিরমিজি, মিশকাত, হাদিস নম্বর: ২২৯২)।

উচ্চারণ: ‘লাইলা-হা ইল্লা আনতা সুবহা-নাকা ইন্নি কুনতুমিনাজ্জালিমিন’ (সুরা আম্বিয়া: ২১/৮৭)
অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তুমি মহাপবিত্র। নিশ্চয়ই আমি সীমা লঙ্ঘনকারীদের অন্তর্ভুক্ত।

এছাড়া হজরত ওমর ইবনুল খাত্তাব ও হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো বিপদগ্রস্ত ব্যক্তিকে দেখে নিম্নোক্ত দোয়াটি বলবে; তার প্রতি ঐ বিপদ কখনো পৌঁছবে না; সে যেখানেই থাকুক না কেন। (তিরমিজি, ইবনে মাজাহ, মিশকাত)

উচ্চারণ-
‘আলহামদু লিল্লা-হিল্লাজি আ’-ফা-নি- মিম্মাবতালা-কা বিহি- ওয়া ফাদ্দালানি- আ’লা- কাছি-রিম মিম্মান খালাক্বা তাফদি-লা-।’

অর্থ-
সব প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি তোমাকে যাতে (যে বিপদে) পতিত করেছেন, তা হতে আমাকে নিরাপদ রেখেছেন এবং আমাকে তাঁর সৃষ্টির অনেক জিনিস অপেক্ষা অধিক মর্যাদা দান করেছেন।’

এ হাদিস দ্বারা বুঝা যায়, কোনো ব্যক্তি বিপদগ্রস্ত ও সমস্যা জর্জরিত কোনো ব্যক্তিকে দেখে এ দোয়াটি পড়লে কোনো মসিবতে পড়বে না।

সতর্কতা-
আলেমগণ বলেছেন, কোনো রোগাক্রান্ত বা বিপদগ্রস্ত ব্যক্তিকে দেখে এ দোয়া নিম্নস্বরে পড়তে হবে, যাতে বিপদগ্রস্ত ব্যক্তির মনে কোনো ব্যথা না পায়।

আবার যে ব্যক্তি প্রকাশ্য পাপাচারিতা ও পার্থিব বিষয়ে বেশি পেরেশান। তখন এ দোয়া উচ্চঃস্বরে পড়বে, যাতে সে নিজের পাপ ও পার্থিব বিষয়ের কারণে লজ্জিত হয় এবং তা থেকে ফিরে আসে।

উচ্চঃস্বরে এ দোয়া পড়লে যদি ফেতনার আশংকা থাকে তবে নিম্ন স্বরে পড়াই ভালো।

আরও পড়ুন :
mokka পবিত্র হজ আজ

❏ সোমবার, জুলাই ১৯, ২০২১

তাওয়াফে মুখরিত পবিত্র কাবা চত্বর

❏ রবিবার, জুলাই ১৮, ২০২১

ঈদুল আজহার জামাতও হবে না শোলাকিয়ায়

❏ বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৫, ২০২১

মসজিদে ঈদ জামাতের পর কোলাকুলি নয়

❏ রবিবার, জুলাই ১১, ২০২১

কত টাকা থাকলে কুরবানি দিতে হবে?

❏ শুক্রবার, জুলাই ৯, ২০২১

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন