জরিপে ২ সিটিতেই বিশাল জয় পাবে নৌকা: জয়

১১:১৭ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, জানুয়ারি ৩১, ২০২০ আলোচিত

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের ব্যাপক ব্যবধানে জয় নিশ্চিত বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা এবং জ্যেষ্ঠ সন্তান সজীব ওয়াজেদ জয়।

প্রাক-নির্বাচনি এক জনমত জরিপের ফল তুলে ধরে তিনি এ তথ্য জানান। বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে জয় ওই জনমত জরিপের ফল প্রকাশ করেন তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে।

জরিপে দেখা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে বিশাল জয় পেতে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্খী শেখ ফজলে নূর তাপস। তিনি ৫৪ দশমিক ৩ শতাংশ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হবেন।সজীব ওয়াজেদ জয়ের পোস্ট।

অন্যদিকে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ইশরাক হোসেন পাবেন মাত্র ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট। জাতীয়পার্টির (জাপা সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন পাবেন ২ দশমিক ২ শতাংশ ভোট। তবে, ঢাকা দক্ষিণে ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ ভোটার সিদ্ধান্ত নেননি। অন্যদিকে ভোট দিবেন না ৩ দশমিক ৮ শতাংশ ভোটার।

একইভাবে ঢাকা উত্তরেও আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান বিশাল। এখানে বড় জয় পাবেন আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী। জয়ের জরিপ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে মেয়র নির্বাচনে ৫০ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হবেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আতিকুল ইসলাম।

অন্যদিকে বিএনপি সমর্থিত প্রার্খী তাবিথ আউয়াল পাবেন মাত্র ১৭ দশমিক ৪ শতাংশ ভোট। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জাপার মেয়রপ্রার্থী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) কামরুল ইসলাম পাবেন ১ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট।

এই সিটিতে সিদ্ধান্ত নেননি ২৫ দশমিক ৩ শতাংশ ভোট। অন্যদিকে ০ দশমিক ৫ শতাংশ ভোটার ভোট দিবেন না এছাড়া ৪ দশমিক ৪ শতাংশ ভোটার ভোট দেয়ার বিষয়ে কোন উত্তর দেননি।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে জয় বলেন, ‌‘ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণের মেয়র নির্বাচন নিয়ে আমরা সাম্প্রতিক সময়ে একটি জনমত জরিপ করিয়েছিলাম। উত্তরের ভোটারদের মধ্যে জরিপে অংশ নেন ১ হাজার ৩০১ জন ও দক্ষিণে অংশ নেন ১ হাজার ২৪৫ ভোটার। ভোটার লিস্ট থেকে রেন্ডম স্যাম্পলিং এর মাধ্যমে তাদের বাছাই করা হয়। জরিপটি করা হয় সামনাসামনি অর্থাৎ অনলাইনের মাধ্যমে নয়।

মক ব্যালট এর মাধ্যমে এই জরিপটি করার কারণে আমরা বা জরিপকারী কারোরই জানার সুযোগ থাকে না কে কাকে ভোট দিলো। জরিপ করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও নির্ভুল পদ্ধতি এটি। নির্ভয়ে, নির্দ্বিধায় মানুষ জরিপে অংশগ্রহণ করতে পারে। তারপরেও যারা কোনো অপশনই বেছে নেয় না তাদের ভোট দেওয়ার সম্ভাবনাই কম কারণ সাধারণত কোনো নির্বাচনেই ১০০% ভোট পরে না। এই জরিপের ফলাফল ভুল হওয়ার সম্ভাবনা +-৩%।

জরিপটি করা হয় যখন দলগুলো তাদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে। তাই জরিপের সঙ্গে আসল ফলাফলের কিছুটা পার্থক্য হতেই পারে। তারপরেও সেই পার্থক্য ৫-১০% এর বেশি হওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই কম। কারণ মাত্র এক মাসের ব্যবধানে ১০% এর বেশি ভোট কোনো দলের পক্ষেই পরিবর্তন করে নিজেদের পক্ষে নিয়ে আসা কঠিন। তাই এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের বিজয় শুধু নিশ্চিতই নয়, ব্যাপক ব্যবধানে জয়ও নিশ্চিত।’