‘বিএনপির মহাসচিব হিসেবে মির্জা ফখরুল ব্যর্থ’- কাদের

◷ ৪:৪৩ অপরাহ্ন ৷ বুধবার, ফেব্রুয়ারী ৫, ২০২০ জাতীয়
kader

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির মহাসচিব হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ব্যর্থ। তিনি কোনো সাফল্য দেখাতে পারেননি। আমি মনে করি বিএনপি বর্তমানে যে অবস্থায় আছে সে অনুযায়ী তারা যে ভোট পেয়েছে শতাংশের দিক থেকে অনেক ভালো করেছে।

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তরপ্রধান এবং প্রকল্প পরিচালকদের নিয়ে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা ও নাগরিক সেবা বিষয়ক সভা শেষে তিনি একথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন এই নির্বাচন যেন বাতিল করা হয়। নির্বাচন কমিশনের প্রতি জনগণের আস্থা নেই- বিষয়টি আপনি কীভাবে দেখছেন এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন,‘আমাদের দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বড় দাগের সংঘাতও হয়। কিন্তু এবার বিচ্ছিন্ন দু’একটি ঘটনা ছাড়া নির্বাচান ছিল মোটামুটি শান্তিপূর্ণ। নির্বাচন ছিল কারচুপি, জালিয়াতি মুক্ত। কারচুপির কোনো সুযোগ ছিল না। কিন্তু ফখরুল সাহেব কেন এত ক্ষেপে গেলেন আমি জানি না।’

তিনি বলেন, কোথাও কোথাও ইভিএম মেশিনে সমস্যা হয়েছে। কিন্তু এ মেশিনে কারচুপি করা কারো পক্ষে সম্ভব না। এই মেশিনে জালিয়াতি করার কোনো সুযোগ নেই। আসলে ইভিএম করা হয়েছে জালিয়াতি ও কারচুপিমুক্ত নির্বাচন করার জন্য। এটা তাদের কেন পছন্দ হয় না আমি সেটা জানি না।

নির্বাচনের আগে বিএনপি ভোট কেন্দ্রে ৫শ সন্ত্রাসী ও ঢাকার বাইরে থেকে সন্ত্রাসী এনে জড়ো করবে এমন আশঙ্কা করেছিলেন এমনে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি অবাক হচ্ছি নির্বাচনের দিনতো তাদের লোকই দেখলাম না। তাদের যথেষ্ট লোক এসেছিল মেয়রপ্রার্থীদের বড় বড় মিছিল হয়েছিল। তারা এত লোক নিয়ে মিছিল করলো সে লোকগুলো ভোটের দিন গেলো কোথায়।

আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলরা বলেছেন ভোটের ফলাফল পাল্টে দেওয়া হয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, যেভাবে আশঙ্কা করা হয়েছিল এই নির্বাচনে বিদ্রোহীদের জয়জয়কার সে অবস্থা কিন্তু হয়নি। আমাদের হিসাবে ১৩ জন বিদ্রোহী প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। বিদ্রোহীরা যে সুবিধা করতে পেরেছেন তা কিন্তু নয়। আমরা দল থেকে যাদের মনোনয়ন দিয়েছি বেশির ভাগ তারাই কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হয়েছেন। হেরে গেলে কতজন কত কথা বলে। চিন্তা করতো গেলে অনেক কিছুই ভাবতে হবে। যিনি হেরে যান তিনি কি হার মেনে নেন। বিএনপিও মানছে না। যারা হেরে গেছেন তারা কেউই মানছেন না।

তাবিথ আউয়াল বলেছেন ফলাফল তারা প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং পরিকল্পনা করে ভোটারদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি- এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাধারনণ সম্পাদক বলেন, তারাতো জিততে না পারলে ফলাফল প্রত্যাখ্যান করবে। প্রত্যাখ্যান করে জনগণের প্রতিফলনটা তারা দেখতে চেয়েছে হরতাল ডেকে। ঢাকা সিটিতে কেউ কোথাও হারতাল দেখেনি। তার মানে হচ্ছে তারা যে নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে জনগণ তাদের নির্বাচন প্রত্যাখ্যানকে প্রত্যাখ্যান করেছে।