• আজ ৬ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনের ফল বাতিলের সুযোগ নেই’- ইসি সচিব

◷ ৫:৫৫ অপরাহ্ন ৷ বুধবার, ফেব্রুয়ারী ৫, ২০২০ ঢাকা
ecc

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ হয়েছে। তাই ফল বাতিলের কোনো সুযোগ নেই। তবে আদালত আদেশ দিলে বাতিল হতে পারে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব আলমগীর।

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সচিব।

মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুই সিটির ফল গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে ইসি। তাতে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের ছাড়া সবার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। অনিয়মের অভিযোগে এই ওয়ার্ডের ফল স্থগিত করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা। এদিকে ঢাকার দুই সিটির ফলাফল বাতিল করে নতুন নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এ বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, নির্বাচন বাতিলের কোনো সুযোগ নাই। নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশ করেছে। তবে আদালত করতে পারে। কেউ যদি চায়, আদালত পর্যন্ত যেতে পারে। পরবর্তীতে আদালত যদি কোনো আদেশ দেন নির্বাচন কমিশনকে, সেটা আমরা দেখব।

ইসি সচিব আরও বলেন, ‘ইভিএমে যা ভোট প্রকৃতপক্ষে দিয়েছে, ঠিক সেটাই পড়েছে। কারণ এখানে অতিরিক্ত ভোট দেয়ার কোনো সুযোগ নাই। আঙুলের ছাপ ও আইডি কার্ড ছাড়া যেহেতু ভোট দেয়ার কোনো সুযোগ নাই, ভোটারকে অবশ্যই ফিজিক্যালি যেতে হয়েছে। ভোটার কেন্দ্রে না গেলে ভোট দেয়ার কোনো সুযোগ নাই।’

প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে ১ শতাংশ আঙুলের ছাপ শনাক্ত করে ভোটারদের ভোট দিতে সহযোগিতার নিয়ম ছিল এ নির্বাচনে। অভিযোগ রয়েছে, ১ শতাংশের বেশি ভোটার শনাক্ত করেছেন তারা।

এ অভিযোগের বিষয়ে মো. আলমগীর বলেন, ‘কমিশনের কাছে এ ধরনের কোনো অনুরোধ আসেনি। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছেও এ ধরনের কোনো অভিযোগ আসেনি। তবে করতে পারে, দুইটা-একটা কেন্দ্রে হয়তো করতে পারে। এখানে ভোটার আছে ৪০০, সেখানে ৪ জনের বেশির আঙুলের ছাপ মিলছে না। এ রকম অভিযোগ ১ হাজার কেন্দ্রের মধ্যে একটি কেন্দ্র থেকে এসেছে বলে আমি শুনিনি। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, ১ শতাংশের বেশি অনুরোধ এসেছে কি-না? তারা বলেছেন, আসেনি।’

নির্বাচন আপনাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল কি-না জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, ‘নিয়ন্ত্রণ বলতে কী বোঝাচ্ছেন জানি না। নির্বাচন করার জন্য যে পরিবেশ থাকা দরকার, তার পরিবেশ একেবারে ৯৯ দশমিক ৯৯ ছিল। বাকি পয়েন্ট জিরো জিরো নিয়ে যদি আপনারা কিছু বলতে পারেন। তবে মারামারির কিছু ঘটনা আমরা পরে শুনেছি। নির্বাচনের পরে শুনেছি যে, একই দলের মধ্যে হয়তো বিদ্রোহী প্রার্থী আছে। তারা হয়তো হাতাহাতি করেছে। একেবারে যে ওখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হওয়া, ওরকম মারামারি কোথাও হয়নি।’

উল্লেখ্য গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ৪ জানুয়ারি গেজেট প্রকাশ হয়েছে। তবে ঢাকা দক্ষিণের ৩১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদের ফল স্থগিত করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল বাতেন।