সংবাদ শিরোনাম
এলাকাভিত্তিক কঠোর লকডাউনের তালিকা প্রস্তুত | বগুড়ায় পিকআপ চাপায় প্রাণ গেল রাস্তার পাশে বসে থাকা দুই ব্যক্তির | রেড জোন চিহ্নিত করে রোববার থেকে ‘কঠোর লকডাউন’, ঘর থেকে বের হওয়া বন্ধ | রুবানা হক শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দেননি: বিজিএমইএ | টাঙ্গাইলে জালিয়াতির মামলায় ভুয়া সাংবাদিক গ্রেফতার | সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন হাসপাতালে ভর্তি | গোপনীয় চিঠি কীভাবে ফাঁস হলো, প্রশ্ন ডিএমপি কমিশনারের | সিলেটের সাবেক মেয়র কামরানের অবস্থার অবনতি, হাসপাতালে ভর্তি | যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে চীন-ভারতে বেশি করোনা রোগী আছে: ট্রাম্প | গণস্বাস্থ্যের কিটের পরীক্ষা শেষ, চলতি সপ্তাহেই প্রতিবেদন |
  • আজ ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

অ্যাপলকে টপকে গেল হুয়াওয়ে

৮:০৭ অপরাহ্ণ | বুধবার, ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২০ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

প্রযুক্তি ডেস্কঃ যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ২০১৯ সালে আবারও অ্যাপলকে টপকে বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ ব্র্যান্ড হয়েছে চীনা টেক জায়ান্ট হুয়াওয়ে।

সম্প্রতি কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, হুয়াওয়ের চীনে শক্তিশালী আধিপত্যের কারণেই এ সাফল্য এসেছে। চীনে হুয়াওয়ের ৪০ ভাগ এবং বিশ্বব্যাপী ১৬ ভাগ মার্কেট শেয়ার রয়েছে।

অন্যদিকে বিশ্বেব্যাপী ১৩ ভাগ শেয়ার নিয়ে হুয়াওয়ের নিচে অবস্থান করছে অ্যাপল। আর ২০ ভাগ শেয়ার নিয়ে প্রথম অবস্থান ধরে রেখেছে স্যামসাং। প্রতিবেদন অনুযায়ী, হুয়াওয়ে ২০১৯ সালে ২৪০ মিলিয়ন এবং অ্যাপল ২০০ মিলিয়ন স্মার্টফোন শিপমেন্ট করেছে। এসময় হুয়াওয়ের ১৭ ভাগ প্রবৃদ্ধি হয়েছে এবং তাদের মোট বিক্রির ৬০ ভাগই হয়েছে চীনের বাজারে।

গবেষণায় বলা হয়, প্রথমবারের মতো পরপর দুইবার ২০১৮ ও ২০১৯ সালে বিশ্বব্যাপী স্মার্টফোনের শিপমেন্ট কমেছে। ২০১৯ সালে ১ ভাগ এবং ২০১৮ সালে ৪ ভাগ স্মার্টফোন শিপমেন্ট হ্রাস পায়। আর গতবছর বিশ্বের মোট মার্কেটের ৬৬ ভাগ দখল করেছে শীর্ষ পাঁচটি স্মার্টফোন ব্র্যান্ড। ২০১৮ সালে এটি ছিল ৬৫ ভাগ এবং ২০১৭ সালে ছিল ৬২ ভাগ।

গেল বছর নতুন প্রযুক্তি ভাঁজযোগ্য ফোনের সাথে বিশ্ববাসী উপভোগ করেছে ফাইভজি’র মতো প্রযুক্তি। কিন্তু চীন-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য যুদ্ধের প্রভাবও পড়েছে স্মার্টফোন বাজারে।

কাউন্টার পয়েন্ট রিসার্চের বিশ্লেষক ভরুন মিশরা বলেন, হুয়াওয়ে-যুক্তরাষ্ট্র, জাপান-কোরিয়া উত্তেজনার প্রভাব বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মেমোরি মার্কেটে পড়েছে। বৈশ্বিক সঙ্কটের কারণে একক মার্কেটের ওপর নির্ভরশীলতার ভয়াবহতার বিষয়ে বিভিন্ন দেশ পুনরায় ভাবতে শুরু করেছে।