• আজ ১০ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘২০২৩ সালের মধ্যেই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ উৎক্ষেপণ’- সংসদে মোস্তাফা জব্বার

◷ ৭:১০ অপরাহ্ন ৷ বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী ৬, ২০২০ জাতীয়
jobbar

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, দেশের দ্বিতীয় স্যাটেলাইট ২০২৩ সালের মধ্যে উৎক্ষেপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম অর্জন বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর সফল উৎক্ষেপণ। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ পরিণত হয়েছে স্যাটেলাইট ক্লাবের ৫৭তম গর্বিত সদস্যে। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে দেশের দ্বিতীয় স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের ঘোষণা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে মন্ত্রীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে আওয়ামী লীগের সদস্য আনোয়ার হোসেন খানের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে তিনি এ কথা জানান।

এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। বৃহস্পতিবারের প্রশ্নোত্তর পর্ব টেবিলে উত্থাপিত হয়।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে বর্তমান সরকারের অন্যতম সাফল্য বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর উৎক্ষেপণ। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট ক্লাবের ৫৭তম গর্বিত সদস্য হয়েছে।

‘বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে দেশের দ্বিতীয় স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় স্যাটেলাইট ২০২৩ সালের মধ্যে উৎক্ষেপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, এরই মধ্যে দেশের দ্বিতীয় স্যাটেলাইট কী ধরনের হবে এবং এর দ্বারা কী কী সেবা দেওয়া সম্ভব হবে তা নির্ধারণের জন্য স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে এজন্য আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট দেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ উপগ্রহ। এটি ২০১৮ সালের ১১ মে যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়। এর মধ্যদিয়ে ৫৭তম দেশ হিসেবে নিজস্ব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী দেশের তালিকায় যোগ হয় বাংলাদেশ।

এই প্রকল্পটি ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বাস্তবায়ন করে। স্যাটেলাইটটি ফ্যালকন-৯ ব্লক-৫ রকেটের মাধ্যমে উৎক্ষেপিত হয়। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের অবস্থান ১১৯.১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমার কক্ষপথে। এর ফুটপ্রিন্ট বা কভারেজ হবে ইন্দোনেশিয়া থেকে তাজিকিস্তান পর্যন্ত বিস্তৃত।