সংবাদ শিরোনাম

টিকা সবাইকে দিয়ে নিই, তারপর আমি নেবো: প্রধানমন্ত্রীসুনামগঞ্জে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ২ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, ১ জন আটকসংঘর্ষ, গোলাগুলি অতঃপর দুই লাশে শেষ হলো চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনরংপুরে ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ১৯ লাখ টাকা জরিমানানির্বাচন বর্জন করলেন ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী জান্নাতুল ইসলামদেশের প্রথম করোনা টিকা নিলেন নার্স রুনুমুন্সিগঞ্জে শিশু ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবনদেশে করোনা টিকা কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রীনজিরবিহীন নির্বাচন, দিনের ভোট রাতে: ইসিতে বিএনপির অভিযোগমাদারীপু‌রে শাহেদ বেগ হত্যা মামলায় দুইজ‌নের মৃত্যুদণ্ড

  • আজ ১৩ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘নতুন প্রজন্মকে পাকিস্তানী বাহিনীর নির্মমতা জানানোর জন্যে বধ্যভূমি সংস্কার’- কৃষিমন্ত্রী

◷ ৮:৪২ অপরাহ্ন ৷ বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী ৬, ২০২০ ঢাকা
rzzak

মোল্লা তোফাজ্জল, টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ কৃষিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষন ও নতুন প্রজন্মকে পাকিস্তানী বাহিনীর নির্মমতা জানানোর জন্যে বধ্যভূমি সংস্কার ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

বৃহস্পতিবার সকালে টাঙ্গাইলের জেলা সদর পানির ট্যাংক সংলগ্ন বধ্যভুমির সংস্কার ও নবনির্মিত স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলমান আছে। যারা বিচারের আওতায় আসেনি তাদেরকেও বিচারের আওতায় আনতে হবে।

জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক, টাঙ্গাইল সদর-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন, ভূয়াপুর-গোপালপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাজাহান আনছারী, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, সাবেক রাষ্ট্রদূত ও মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার উল আলম শহীদ, মুক্তিযোদ্ধা বুলবুল খান মাহবুব, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফউজ্জামান স্মৃতি প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা কাজী গোলাম আহাদ।

এ সময় শহরের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্থানী হানাদার বাহিনী রাজাকারদের সহযোগিতায় মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী বীর বাঙ্গালীদের ধরে এনে নির্যাতন করে হত্যা করে তাদের লাশ টাঙ্গাইল জেলা সদর পানির ট্যাংক সংলগ্ন স্থানের জঙ্গলে ফেলে দিত। এই বধ্যভূমিটি দীর্ঘদিন অযত্ন অবহেলায় পরে ছিল। টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই বধ্যভূমির স্থান সংস্কার করে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে।