থ্রি ইডিয়টস এর ফুংসুখ ওয়াংড়ু এখন ঢাকায়

dhaka

বিনোদন ডেস্কঃ বলিউড সিনেমা ‘থ্রি ইডিয়টস’র শেষাংশে বিজ্ঞানী ফুংসুখ ওয়াংড়ুর আবিষ্কারগুলো দেখে অবাক হননি এমন দর্শক কমই আছেন। আমির খান অভিনীত এই চরিত্রটি মূলত লাদাখের বিজ্ঞানী সোনম ওয়াংচুক’র অনুপ্রেরণায় তৈরি।

ফুংসুখ ওয়াংড়ু চরিত্রটি লেখা হয়েছিল সোনম ওয়াংচুক নামের এক শিক্ষা সংস্কারকের জীবন থেকে। তিনি এখন ঢাকায়।

সোনম ওয়াংচুক ১৯৬৬ সালের ১লা সেপ্টেম্বর লাদাখের উলে তকপোতে জন্মগ্রহণ করেন। লাদাখে সোনম একজন বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী ও শিক্ষা সংস্কারক হিসেবে জনপ্রিয়।

সোনম ওয়াংচুকের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাব্যবস্থার আন্দোলনের নাম ‘স্টুডেন্টস এডুকেশন অ্যান্ড কালচারাল মুভমেন্ট অব লাদাখ’ (এসইসিএমওএল)। ‘থ্রি ইডিয়টস’ সিনেমাটি মূলত সোনমের ওয়াংচুকের জীবন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে বানানো।

তার প্রতিষ্ঠিত স্কুলে ভর্তি হতে হলে অবশ্যই মাধ্যমিকে ফেল করতে হবে। সোনমের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিকে তাই অনেকেই বলেন ‘ইউনিভার্সিটি অব ফেইলরস’। তিন-চারবারের ‘ফেলটুস’ সেই ছাত্রদের অনেকেই আজ বিশ্বসেরা সাংবাদিক, নির্মাতা ও স্বনামধন্য উদ্যোক্তা। স্কুলের বাইরে আবহাওয়া যখন মাইনাস ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্কুলের ভেতরের তাপমাত্রা তখন প্লাস ১৫ ডিগ্রি। বন্যা হলে এই স্কুলের কোনো অসুবিধা হয় না। দিব্যি সেটা পানিতে ভেসে ওঠে।

গ্রীষ্মে লাদাখের মতো বিরান অঞ্চল হয়ে ওঠে ধু-ধু মরুভূমি, পানির দেখাই মিলে না। কিন্তু এই প্রকৌশলী পানিকে সহজলভ্য করেছেন সেখানে। সাধারণ পাইপ দিয়ে এমন একটি ‘আইস স্টুপা’ বানিয়েছেন, যা দিয়ে ‘গ্রিনহাউস ইফেক্ট’ দূর করা যায় সহজেই।

আজ শুক্রবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালার চতুর্থ তলায় পঞ্চমবারের মতো আয়োজিত ঢাকা আর্ট সামিটের প্রথম দিনে ‘জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আমাদের করণীয়’ বিষয়ের ওপর বক্তৃতা দেবেন সোনম ওয়াংচুক।

এ সময় উপস্থিত থাকবেন আগা খান পুরস্কারজয়ী স্থপতি সাইফুল হক, স্থাপত্যকলা তাত্ত্বিক হুরারিয়া জাবিন ও স্থপতি নীনা পেইম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করবেন নকশাকার প্রেম কৃষ্ণমূর্তি।

Sharing is.

Share on facebook
Share with others
Share on google
Share On Google+
Share on twitter
Share On Twitter