নওয়াপাড়ায় মাদ্রাসা শিক্ষকের হাতে শিশু শিক্ষার্থীর শ্লীলতাহানীর অভিযোগ

২:৪১ অপরাহ্ণ | বুধবার, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২০ খুলনা
jessore

মহসিন মিলন, যশোর প্রতিনিধি: যশোরের নওয়াপাড়ায় মাদ্রাসা শিক্ষকের হাতে দ্বিতীয় শ্রেণীর এক শিশু শিক্ষার্থীর শ্লীলতাহানীর ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার পর থেকে ওই শিক্ষক পলাতক রয়েছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নওয়াপাড়া পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের নওয়াপাড়া মডেল কলেজ সংলগ্ন তেঁতুলতলা শামসুল উলুম রহমানীয়া মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ৮ বছরের ওই শিশুকে শ্লীলতাহানী ঘটায় বলে অভিযোগ।

শিশু শিক্ষার্থীর মায়ের অভিযোগ, গত মঙ্গলবার প্রতিদিনের ন্যায় সকালে আমার মেয়েটি মাদ্রাসায় যায়। মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফিরে মেয়েটি কান্নাকাটি করতে থাকে। এক পর্যায়ে তার কাছে ঘটনাটি জানতে চাইলে সে জানায় মাদ্রাসার নুরানী বিভাগের বাংলা শিক্ষক মো: আবু মুসা তার শরীরে স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানী ঘটিয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, মেয়ের নিকট থেকে এমন ঘটনা শুনেই আমি ও আমার পরিবার মাদ্রাসার মোহতামিম মো: সরোয়ার হোসেনকে জানালে তিনি বলেন আমরা বিষয়টি দেখছি।  এরপর মাদ্রাসার মোহতামিম তার সহকারী শিক্ষক আবু মুসাকে পালাতে সাহায্য করে বলে তার অভিযোগ।

এ ব্যাপারে ওই শিশু শিক্ষার্থীর সাথে কথা বললে সে কাঁদতে কাদঁতে বলে প্রায় সময় হুজুর আমার গায়ে যেখানে সেখানে হাত দেয়। হুজুর আমাকে একদিন ঝাড়ু আনতে বললে আমি ঝড়ু আনতে গেলে হুজুর আমাকে জড়িয়ে ধরে। আমি যদি এই কথা কাউকে বলি তাহলে তিনি আমাকে মারবেন বলে ভয় দেখান। এই ব্যাপারে কথা বলতে শিক্ষক আবু মুসার ব্যবহৃত মোবাইলেএকাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

শামসুল উলুম রহমানীয়া মাদ্রাসার সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব রেজাউল হোসেন বিশ্বাস জানান, ঘটনাটি শুনে মাদ্রাসায় গেলে ওই শিক্ষককে পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

বিষয়টি সম্পর্কে মাদ্রাসার মোহতামিম সরোয়ার হোসেন জানান, আমি এই বিষয়টি কিছুই বলতে পারবো না সব কমিটির লোকজন জানে। তবে জেনেছি মেয়েটির পরিবার কমিটির লোকজনদের কাছে এসেছিলো। আমার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক আবু মুসা এই ধরণের ঘটনা ঘটিয়ে থাকলে তাকে আমার প্রতিষ্ঠানে রাখবো না।

Loading...