• আজ রবিবার, ১৭ শ্রাবণ, ১৪২৮ ৷ ১ আগস্ট, ২০২১ ৷

‘সেদিন যারা বঙ্গবন্ধুর বিরোধিতা করেছিল আজও তারা দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে’- ইনু

inu
❏ শনিবার, মার্চ ৭, ২০২০ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)-এর সভাপতি এবং তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেছেন, যারা বঙ্গবন্ধু ও দেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তারা দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।

শনিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে শহীদ কর্নেল তাহের মিলনাতয়নে জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ইনু বলেন, সেদিন যারা বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল আজও তারাই বাংলাদেশ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ঘোষিত-অঘোষিত, প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। এই স্বাধীনতাবিরোধীদের প্রধান যুদ্ধকৌশল হচ্ছে- জাতীয় ইতিহাসকে অস্বীকার করা, ইতিহাসকে বিকৃত করা, মীমাংসিত বিষয়কে অমীমাংসিত করা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা-সংবিধান-রাষ্ট্রীয় মূলনীতি অস্বীকার করা।

তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যক্রমে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর ও ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থান প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবার পর রাষ্ট্রক্ষমতায় জেঁকে বসা সামরিক শাসক এবং তাদের সৃষ্ট দল বিএনপি, জাতীয় পার্টি, তাদের হাত দিয়ে পুনঃপ্রতিষ্ঠা জামায়াত-যুদ্ধাপরাধীরা এখনো বাংলাদেশে বিরোধিতার রাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছে।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে ইনু বলেন, সাম্প্রদায়িক রাজনীতির ভিত্তিতে বিভক্ত করার অপরাজনীতি নির্মূল করে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে ১৯৭১ সালের ন্যায় জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। রাজনৈতিক শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হবে, দুর্নীতি অবসান করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সব ধরনের বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে জনগণের মুক্তির লক্ষ্যে সমাজতন্ত্রের পথে এগিয়ে যেতে হবে।

হাসানুল হক ইনুর সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন দলীয় সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার, সহ-সভাপতি মীর হোসাইন আখতার, স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এম এ করিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাদের চৌধুরী প্রমুখ।

১৯৭১ সালের ২ মার্চ স্বাধীনতার পতাকা প্রদর্শন ও উত্তোলন, ৩ মার্চ স্বাধীনতার ইশতেহার ঘোষণা, ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ, ৯ মার্চ মাওলানা ভাসানীর বঙ্গবন্ধুর প্রতি সমর্থন প্রদান, ১৯ মার্চ জয়দেবপুর ক্যান্টনমেন্টের বাঙালি অফিসার ও সৈনিকদের বিদ্রোহ, ২৩ মার্চ সামরিক কুচকাওয়াজের মাধ্যমে স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন, ২৫ মার্চ পাকহানাদার বাহিনীর ক্র্যাকডাউন ও গণহত্যার সূত্রপাত, ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণা, পাকবাহিনীকে প্রতিরোধ ও মুক্তিযুদ্ধের সূচনাসহ অগ্নিঝরা মার্চের ঐতিহাসিক ও বীরত্বপূর্ণ ঘটনাবলি স্মরণে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন