সংবাদ শিরোনাম
করোনা: প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে ১০ কোটি টাকা দিচ্ছে বসুন্ধরা গ্রুপ | করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সহায়তার আশ্বাস ব্রিটিশ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর | করোনা আক্রান্ত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে সমবেদনা জানিয়ে শেখ হাসিনার চিঠি | শেষবারের মতো মায়ের মুখটাও দেখতে পারলেন না হাবিবুল বাশার | গাজীপুরে জীবাণুনাশক স্প্রে করেছে ছাত্রলীগ | করোনা প্রতিরোধে লকডাউন, ইউরোপে বাড়ছে গৃহদ্বন্দ্ব ও সহিংসতা | বাবা প্রবাসে, মায়ের পরকীয়ার বলি হলো সাত বছরের মেয়ে! | স্ত্রীসহ করোনায় আক্রান্ত কাজী মারুফ | এবার সেই নারী এসিল্যান্ডকে ধর্ষণের হুমকি! | ‘জ্বর-শ্বাসকষ্টে’ ভুগছে এক পরিবারের সবাই, ভয়ে হাসপাতালেই নিচ্ছে না কেউ! |
  • আজ ১৪ই চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

অতি দরিদ্রদের জন্য ৬৫০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্ধ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

১১:৫৮ অপরাহ্ণ | বুধবার, মার্চ ২৫, ২০২০ জাতীয়
hasina

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ করোনা পরিস্থিতির কারণে সারাদেশে কর্মহীন হয়ে এখন ঘরে বসে আছেন অনেক দরিদ্র মানুষ। তাদের সাহায্যে সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা মহানগরীসহ দেশের ৬৪ জেলায় ৬ হাজার ৫০০ শত মেট্রিক টন চাউল ও নগদ ৫ কোটি পঞ্চাশ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ করেছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান।

তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে দেশের প্রতিটি জেলায় অতি দরিদ্রদের জন্য ত্রান সহায়তায় হিসেবে বরাদ্দগুলো পাঠানো হয়েছে। জেলা প্রশাসকরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে যোগাযোগ করে বরাদ্দকৃত ত্রান বিতরণ করবেন।

দুযোর্গ ব্যাবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব (ত্রাক-১) মো: শাহজাহান স্বাক্ষরিত বরাদ্দ পত্রে দেখা যায় প্রতিটি জেলার আয়তন ও দরিদ্রদের সংখ্যা অনুযায়ী চাল একশ টন থেকে দু’শ টন ও নগদ টাকা সাত লক্ষ থেকে বিশ লক্ষ পর্যন্ত জেলাওয়ারী বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। স্ব স্ব জেলা প্রশাসকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিদের চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ দিবেন।

এ বিষয়ে ত্রান প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান বলেন, বরাদ্দপত্রে ত্রান বিতরণে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা না থাকলেও জেলা প্রশাসকদের মৌখিকভাবে কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাতে জেলা প্রশাসকরা ইচ্ছে করলে খিচুরী রান্না করেও দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করতে পারবেন। এছাড়া চাল ও নগদ টাকাতো দিতে পারবেনই।

উল্লেখ্য বাংলাদেশে এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে গত ৮ মার্চ। এরপর দিন দিন এ ভাইরাসে সংক্রমণের সংখ্যা বেড়েছে। সর্বশেষ হিসাবে দেশে এখন পর্যন্ত ৩৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন, মারা গেছেন ৫ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭ জন।

করোনার বিস্তাররোধে এরই মধ্যে বাংলাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে সভা-সমাবেশ ও গণজমায়েতের ওপর। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে দেশের সব বিপণিবিতান।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে আগামী ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বাস, ট্রেন, লঞ্চসহ সব ধরনের গণপরিবহন। এ কার্যক্রমে স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তার জন্য দেশের সব জেলায় মোতায়েন করা হয়েছে সশস্ত্র বাহিনী।

Loading...