• আজ ৯ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

পতিতা কন্যার জীবন থেকে লেখা হয় গেঁন্দাফুল গানটি

◷ ৯:১১ অপরাহ্ন ৷ রবিবার, মার্চ ২৯, ২০২০ বিনোদন
Jaqline

বিনোদন ডেস্কঃ ‘বড়লোকের বিটি লো, লম্বা লম্বা চুল, এমন মাথায় বেঁধে দেবো লাল গেঁন্দাফুল’ জনপ্রিয় এই বাংলা গানটি শ্রীলঙ্কান সুন্দরী ও বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজের কল্যাণে আরও একবার সবার মুখে মুখে। র‍্যাপার বাদশার সঙ্গে পায়ে পা মিলিয়ে নতুন মিউজিক ভিডিও তৈরি করেছেন জ্যাকলিন। নাম ‘গেন্দা ফুল’।

তবে পুরো গানটা বাংলায় নয়, বাদশার র‍্যাপের সঙ্গে মিশে এক নতুন মাত্রা পেয়েছে। গানটি গেয়েছেন পায়েল দেব। তবে এই গান প্রকাশকারী ভারতের সনি মিউজিক এড়িয়ে গেছেন গীতিকারের নাম। ‘বড়োলোকের বিটি লো’ গানের গীতিকার রতন কাহার। এ কারণে ভারতের কণ্ঠশিল্পী রুপঙ্করসহ অনেকেই সনি মিউজিক্র ওপর ক্ষিপ্ত।

১৯৭২ সালে রতন কাহারের অমর সৃষ্টি ছিল ‘বড়লোকের বিটি লো লম্বা লম্বা চুল’ গানটি। ১৯৭৬ সালে স্বপ্না চক্রবর্তীর কণ্ঠে দারুণ জনপ্রিয়তা পায় এ গান। বাংলার আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে পড়ে গানটি। আমাদের পরিচিত আরও অনেক লোকগানের স্রষ্টাও রতন কাহার। অথচ তিনি নিজেই আমাদের কাছে অচেনা থেকে গেছেন।

পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় তার বাড়ি। ভাদু গান, লোকগীতি, ঝুমুর কিংবা প্রভাতী কীর্তন, রতন কাহার সবক্ষেত্রেই সিদ্ধহস্ত। এখন কেমন আছেন তিনি? কেউ খোঁজ রাখে না। এমন গুণী মানুষটার জীবনে এখনও নিত্যসঙ্গী দারিদ্র্য। একসময় বিড়ি বেঁধেও সংসার চালিয়েছেন। এখন জীবনের শেষ প্রান্তে সরকারি কিছু অনুদান ও দুয়েকটা অনুষ্ঠানে গান গেয়ে যা পান তা দিয়েই চলে তার সংসার।

গানটি সম্পর্কে রতন কাহার বলেন, ‘আমি নিজেই যে স্বপ্নাকে গানটা দিয়েছিলাম তা কিন্তু নয়। আমার গানটা একটা দল কোরাস গাইতো। সেই গান অনেকে পছন্দ করতো। সাহা বলে একজন লোক ছিলেন তিনি আমার কাছ থেকে গানটা নেন। ওটা আমি ৭২ সালে লিখেছিলাম। সত্যি কথা বলতে গেলে গানটা আমি আরো বহু লিখেছিলাম। তবে ৭২ সালে সম্পূর্ণ হয়। ৭৬ সালে রেকর্ডিং করা হয়। সেখানে আমার নামও লেখা ছিল না, আমাকে কোনো টাকা পয়সা দেওয়া হয়নি।’

রতন কাহার বলেন, ঘটনার ক’দিনপর আমি কলকাতা গিয়েছিলাম রেডিওতে গান করতে। সেখানে আকাশবাণীর কর্মকর্তারা আমার চারটা গান নেন। সেখানে বড়লোকের বিটি লো’সহ আরো তিনটি গান ছিল। গানগুলোর লেখা হওয়ার পরে আমার সাইন নেওয়া হয়।

গান লেখার নেপথ্যে রয়েছে আরো গভীর কথা। একজন পতিতা ও তার কন্যাকে দেখে রতনের মনে গানের কথা উঁকি দেয়। রতন কাহার বলেন, ‘একজন পতিতা ছিলেন। সমাজে অবহেলিত সেই পতিতার একটি মেয়ে হলো। যখন ৭-৮ বছর বয়স হলো, তখন একদিন দেখছিলাম পতিতা মেয়েটি তার ছোটমেয়ের চুল বেঁধে দিচ্ছিলেন। তখন তার মেয়ের দিক থেকে গানের কথাগুলো আমার মনে উদ্রেক হয়। আমি ঘরে থাকতে পারতাম না। মা চিন্তা করতো বাবা চিন্তা করতো কিন্তু আমি ঘরে থাকতে পারতাম না। আমি গান লিখতাম, গাইতাম।’

popi20 আবারও পপির বিয়ের গুঞ্জন

⊡ বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ২১, ২০২১

joy- বাবা হারালেন শাহরিয়ার নাজিম জয়

⊡ বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ২১, ২০২১

Hero alam p এবার মাইকেল জ্যাকসনরূপে এলেন হিরো আলম!

⊡ মঙ্গলবার, জানুয়ারী ১৯, ২০২১

sadiya মডেল সাদিয়া নাজের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

⊡ মঙ্গলবার, জানুয়ারী ১৯, ২০২১

Dilu অভিনেতা মজিবুর রহমান দিলু মারা গেছেন

⊡ মঙ্গলবার, জানুয়ারী ১৯, ২০২১

nirab নিরবের নায়িকা স্পর্শিয়া

⊡ রবিবার, জানুয়ারী ১৭, ২০২১