সংবাদ শিরোনাম

জামালপুরে ট্রাক চাপায় প্রাণ গেল বৃদ্ধারকালীগঞ্জে জন্ম নিবন্ধন কার্ড বিতরণে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগবাইডেন প্রশাসনে বিএনপি নেতা ড. মঈন খানের ভাগ্নি!প্রধানমন্ত্রীর পা ধরে হলেও আপনাদের প্রত্যাশা পূরণ করব : নানকহবিগঞ্জে স্কুলছাত্রকে হত্যা করে ফোনে অভিভাবকের কাছে চাঁদা দাবি, আটক ৩গোপালগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় সবজি ব্যবসায়ী নিহতসুষ্ঠু নির্বাচনকে গোরস্থানে সমাধিত করেছে সিইসি: রিজভীকোরআনে বর্ণিত ‘ত্বীন ফল’ বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে দিনাজপুরেসান্তাহার রেলওয়ে স্টেশনের অধিকাংশ সিসি ক্যামেরা নষ্ট, নজর নেই কর্তৃপক্ষেরকক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে দু’পক্ষের গোলাগুলি, নিহত ১

  • আজ ১২ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘লাশ পুড়ানোর চাইতে কবর দেয়া উত্তম’- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

◷ ১:৫২ অপরাহ্ন ৷ বুধবার, এপ্রিল ১, ২০২০ আন্তর্জাতিক
lash

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মহামারী রূপ নিয়েছে করোনাভাইরাস। চীনের উহান থেকে উৎপত্তি করোনাভাইরাস ইতোমধ্যে ২ শতাধিক দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্বে এখন পর্যন্ত ৮ লাখ ৫৮ হাজার ৬৬৯ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এতে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৪২ হাজার ১৫১ জন।

এমন পরিস্থিতিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, বিশ্বব্যাপী গণহারে মানুষ মারা গেলে লাশ পুড়িয়ে ফেলার চেয়ে কবর দেয়া উত্তম। প্রাকৃতিক কোনো বিপর্যয়ের পর কোনো লাশের শরীর মহামারী রোগ সৃষ্টি করে এমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সম্প্রতি ‘রিস্কস পোজড বাই ডেড বডিস আফটার ডিজঅ্যাস্টারস’ শিরোনামে একটি নির্দেশনা প্রকাশ করে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করে করোনাভাইরাসে মৃত ব্যক্তি থেকে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। তবে এর কোনো প্রমাণ মেলেনি। কারণ মহামারীতে মারা যাওয়ার পর মানুষের শরীরে ওই এজেন্টের বেশিরভাগই দীর্ঘ সময় জীবিত থাকে না। তবে লাশের সঙ্গে সংস্পর্শ অব্যাহত রাখলে (কন্সট্যান্টলি ইন কনকাক্ট উইথ করপসেস) যক্ষ্মা বা রক্তবাহিত ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটতে পারে। লাশ থেকে এক্ষেত্রে স্বাস্থ্যগত কিছু ঝুঁকি থাকে। যেমন কেউ যদি কলেরা বা রক্তপ্রদাহজনিত জ্বরে (হেমোরেজিক ফিভার) মারা যান, তাহলে এটা ঘটতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আরও বলেছে, যেসব মানুষ নিয়মিত মৃতদেহ দাফন বা এর দাফন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকেন তাদের যক্ষ্মা, রক্তবাহিত ভাইরাস (যেমন হেপাটাইটিস-বি, সি এবং এইচআইভি) এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল (যেমন কলেরা, ই-কোলি, হেপাটাইটিস-এ, রোটাভাইরাস ডায়রিয়া, সালমানেলোসিস, শিগেলোসিস এবং টাইফয়েড/প্যারাটাইফয়েড জ্বরে) সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে।

সংস্থাটি জানায়, এসব তথ্য ও ঝুঁকির কথা একই সঙ্গে জরুরি বিভাগের কর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়া উচিত, যাতে যথাযথ পূর্বসতর্কতা অবলম্বন করা যায়, যখন মৃতদেহ নাড়াচাড়া করা হয়। একই সঙ্গে আতঙ্ক ও ভুল বোঝাবুঝি এড়ানো যায়।