🕓 সংবাদ শিরোনাম

সোনারগাঁয়ে সড়কের পাশে মিলল বোরকা পরা তরুণীর মরদেহরাতে দোকান থেকে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত লাশ মিললো সকালেজরুরি বিজ্ঞপ্তিতে আলিম পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তনইউনেস্কো পুরস্কার জিতলো দেড়শ বছরের পুরনো দোলেশ্বর হানাফিয়া মসজিদঢাকার পর শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর হচ্ছে চট্টগ্রামেও‘ভাই কবরে ,খুনি কেন বাহিরে’ শ্লোগানে শিক্ষার্থীদের কফিন মিছিলশিশুকে ডায়াবিটিস থেকে দূরে রাখতে কী কী সতর্কতা অবলম্বন করবেনদক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে তৈরি থাকার বার্তা দিল ”হু”বুড়িগঙ্গায় ’সাকার ফিশ’র দখলে, হুমকিতে দেশীয় মাছরোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির থেকে ধারালো অস্ত্রসহ আটক-৫

  • আজ রবিবার, ২০ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ৫ ডিসেম্বর, ২০২১ ৷

করোনার উপসর্গ থাকায় চিকিৎসা দেয়নি হাসপাতাল, ইবি ছাত্রীর আবেগঘন স্ট্যাটাস


❏ বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২, ২০২০ শিক্ষাঙ্গন

রায়হান মাহবুব, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া- ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের চতুর্থ বর্ষের (২০১৬-১৭ সেশন) ছাত্রী সাবিকুন্নাহার মিতা। গত কয়েকদিন যাবত তীব্র শ্বাসকষ্টে ভুগছেন ঐ ছাত্রী। যা বৈশ্বিক মহামারী নোভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ।

খুলনার রুপসা থানার মেয়ে সাবিকুন্নাহার শ্বাসকষ্টের চিকিৎসা নিতে গতকাল (বুধবার) বিকেলে গিয়েছিলেন খুলনা মেডিকেল হাসপাতালে। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শ্বাসকষ্টের রোগী শুনে তার চিকিৎসা নেয়নি। বরং প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে পরামর্শ দেয় তারা। পরে সেখান থেকে নিরুপায় হয়ে ফিরে এসে স্থানীয় এক ডাক্তারের চিকিৎসা নেয় ঐ ছাত্রী।

গতকাল রাত ১১ টা ৫১ মিনিটে খুলনা মেডিকেল হাসপাতালের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ফেসবুকে নিজ টাইমলাইনে এক আবেগঘন স্ট্যাটাস দেয় ঐ ছাত্রী। যা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। স্ট্যাটাসে করোনার উপসর্গ নিয়ে ভোগান্তিতে থাকা রোগীদের প্রতি চিকিৎসকদের অবহেলার চিত্র ফুটিয়ে তোলে সে। নিচে স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

“আমার বাংলাদেশ-
গত ৩ দিন ধরে শ্বাসকষ্টে ভুগছি। আজ আর না পেরে খুলনা মেডিকেলে গিয়েছিলাম, কিন্তু কপাল খারাপ। যখন শুনলো শ্বাসকষ্ট, তখন বলে তারা রোগী দেখে না। আমি উত্তরে বললাম তাহলে আমাদের মত লোক কোথায় যাবে?? উত্তর আসলো ৩/৪ টা
১) প্রাইভেট ক্লিনিক এ যান।
২) সদর হাসপাতালে যেতে পারেন।
আমরা সরি।
৩ টা ছিলো মজার উত্তর,
ঠিক তখন ৪ জন পুলিশ ২ টা মধ্যবয়সী লোক নিয়ে আসে।
জরুরি বিভাগ থেকে ৩ নং উত্তর আসে ঠিক এভাবে- আমরা এই সব রোগী যায় হোক দেখবো, কিন্তু আপনাকে না।
আমি..

তাদের ২ নং কথার উত্তর হিসেবে বলছি আপনারাই যদি রোগী না দেখেন, সদরের ওরা কিভাবে কি করবে।
ওরা চুপ।

আমি বললাম কোন ডাক্তার নাই আমাকে দেখার মত। আমি তো দম নিতে পারছি না। তারা বলে আজ হবে না কাল আসেন। তখন আমি বললাম আমার অবস্থা খারাপ হচ্ছে তারা বলে সারা দিন কি করছেন?

আমিঃ আর সহ্য করতে না পেরে এখন (৪ঃ৩০) আসলাম।

তারা তখনও বলে হবে না।

আর আমার আপনার প্রশাসনের পুলিশ ভাইয়ারা তখনও দেখল পুরোটা, কিম্তু কোন response নাই। ওখান থেকে চলে আসি আর গ্রাম্য ডাক্তার দেখাই, এখন একটু কম কষ্ট হচ্ছে।

আজকের প্রশাসন তাদের চেতনা নিয়ে জেগেও ঘুম ছিলো। বাহ বাহ..। বড় লেকচার ছাড়েন অথচ আপনারা রোগী দেখেননা আর শ্বাসকষ্টে কেউ মারা গেলে করোনা সন্দেহ তাই না? শেষে জানাজা মিলে না। আমার জন্য দোয়া করবেন। ধন্যবাদ বাংলাদেশ”।

উল্লেখ্য, নোভেল করোনা ভাইরাসের উপসর্গ (জ্বর, শ্বাসকষ্ট, সর্দি, কাঁশি) নিয়ে প্রতিদিন মৃত্যুবরণের ঘটনা ঘটছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। গত ২৪ ঘন্টায়ও তিন শিশু-কিশোরসহ সারাদেশে মোট ১৩ জনের মৃত্যুবরণের খবর জানা গেছে। তবে তারা কেউ করোনা সংক্রমিত কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।