🕓 সংবাদ শিরোনাম

রংপুরে ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল ৩ নারী শ্রমিকেরভুয়া স্বাক্ষর দিয়ে মিথ্যা অভিযোগ, প্রতিবাদে মানববন্ধনমানিকগঞ্জের কেন্দ্রে গুলোতে পৌঁছেছে নির্বাচনী সামগ্রী, ব্যালট যাবে সকালেমুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীবগুড়ায় চেয়ারম্যান পদে ভাইয়ের প্রতিদ্বন্দ্বী ভাই!শরীয়তপু‌রে নির্বাচনী সহিংসতায় দলীয় কর্মীর মৃত্যুতে সংবাদ স‌ম্মেলনমন্ত্রিত্ব একটি চ্যালেঞ্জিং জব: কাদেরটাঙ্গাইলে শ্রমিক লীগ নেতা হত্যায় মামলা, গ্রেপ্তার ২ছোটবেলায় আমরাও হাফ ভাড়ায় চলেছি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসংসদে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের পক্ষে কথা বলে তোপে বিএনপির হারুন

  • আজ রবিবার, ১৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ২৮ নভেম্বর, ২০২১ ৷

নতুন প্রতিষেধকে ৪৮ ঘণ্টায়ই ধ্বংস হবে করোনাভাইরাস: অস্ট্রেলিয়ান গবেষক


❏ শুক্রবার, এপ্রিল ৩, ২০২০ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ উহান থেকে উৎপত্তি করোনাভাইরাস এখন গোটা বিশ্বের জন্য আতংক হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের কোনো প্রতিষেধক না থাকায় পুরো দুনিয়া হিমশিম খাচ্ছে। তবে ভাইরাসটির প্রতিষেধক বানানোর জন্য অনেক চেষ্টা করা হচ্ছে।

এরই মধ্যে কিছুটা আশাজাগানিয়া খবর পাওয়া গেছে। অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বাধীন এক গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যান্টি-প্যারাসিটিক বা পরজীবীনাশী ওষুধ ইভারমেকটিনের এক ডোজই করোনাভাইরাসকে থামিয়ে দিতে পারে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই প্রাণঘাতী ভাইরাসটিকে মেরে ফেলছে এই ওষুধ। খবর অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম ৭নিউজের।

অ্যান্টিভাইরাল রিসার্চ জার্নালে এই গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষণায় দাবি করা হচ্ছে, অনুমোদিত এই ওষুধ এইচআইভি, ডেঙ্গু ও ইনফ্লুয়েঞ্জাসহ ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর।

শুক্রবার মোনাশ বায়োমেডিসিন ডিসকভারি ইন্সটিটিউটের ড. ক্যালিয়ে ওয়াগস্টাফ বলেন, আমরা দেখেছি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সব ভাইরাল আরএনএ (কার্যকরভাবে ভাইরাসের সব জিনগত উপাদান ধ্বংস) থেকে মুক্তি দিতে পারে ইভারমেকটিনের এক ডোজ।

তবে ওষুধটি শুধুমাত্র ল্যাবেই পরীক্ষা করা হয়েছে। এখনো মানবদেহে পরীক্ষা করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে আরও গবেষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

গবেষকরা বলছেন, এখন তাদের পরবর্তী পদক্ষেপটি হবে, মানবদেহের জন্য সঠিক ডোজ নির্ধারণ এবং মানুষের জন্য নিরাপদ কিনা তা নিশ্চিত করা।

ড. ক্যালিয়ে ওয়াগস্টাফ বলেন, আমাদের বিশ্বব্যাপী মহামারী দেখা দিয়েছে। অনুমোদিত কোনো চিকিত্সা নেই এই রোগের। তবে আমাদের এমন একটি ভ্যাকসিন তৈরি করতে হবে যা এরই মধ্যে বিশ্বজুড়ে পাওয়া যায়। আর তা মানুষকে দ্রুত সহায়তা করতে পারে।