সংবাদ শিরোনাম

বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে তরুণীর সর্বস্ব কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধেমহাসড়ক যানশূন্য, শিমুলিয়ায় ফেরি পারাপার বন্ধ‘তালা ভেঙ্গে মসজিদে তারাবি পড়ার চেষ্টা্’‌, পুলিশের বাধায় সংঘর্ষে মুসল্লিরা‘লঘু পাপে গুরু দণ্ড’; তিনটি মুরগি চুরির দায়ে দেড়লাখ টাকার জরিমানা চার তরুণের!কুড়িগ্রামের সবগুলো নদ-নদী শুকিয়ে গেছে, হুমকীতে জীব-বৈচিত্রহেফাজতের আরেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তারমধুখালীতে বান্ধবীর সহায়তায় অচেতন করে দফায় দফায় ধর্ষণের শিকার নারী!বাসস্ট্যান্ডে প্রকাশ্যে চায়ের স্টলে ইতালি প্রবাসীকে কুপিয়ে হত্যাগোবিন্দগঞ্জে মর্মান্তিক সড়ক দূঘর্টনায় স্কুল শিক্ষকসহ একই পরিবারের ৪ জন নিহতময়মনসিংহে ব্রহ্মপুত্র নদের পানিতে ডুবে মারা গেলো ৩ শিশু

  • আজ ২রা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

করোনার মধ্যেও বাংলাদেশের শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির আশা এডিবির

১১:৪১ অপরাহ্ন | শুক্রবার, এপ্রিল ৩, ২০২০ অর্থনীতি
adb

অর্থনীতি ডেস্কঃ বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের এই তাণ্ডবের মধ্যেও একটি সুখবর দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। চলতি অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এডিবি।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) প্রকাশিত এডিবির এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক ২০২০ এ পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের আগের আট মাসের (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) তথ্য বিশ্লেষণ করে সংস্থাটি উল্লেখ করেছে, করোনার প্রভাব না থাকলে চলতি (২০১৯-২০) অর্থবছর জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ। আগামী অর্থবছর এই প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।

এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ বলেন, ‘বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও বাংলাদেশের অর্থনীতি ভালো পারফরম্যান্স অব্যাহত রেখেছে। তবে কোভিড-১৯ বিশ্বব্যাপী মহামারির কারণে নিম্নমুখী ঝুঁকি রয়েছে। এডিবির প্রাথমিক অনুমানে ইঙ্গিত দেয়, এ মহামারির প্রভাবে বাংলাদেশের জিডিপির প্রায় শূন্য দশমিক দুই থেকে শূন্য দশমিক চার শতাংশ কমতে পারে।

এডিবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনার প্রভাবের আগের আট মাসে বাংলাদেশের অর্থনীতি শক্তিশালী অবস্থানে ছিল। আগের (২০১৮-১৯) অর্থবছর ৮ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছিল। চলতি অর্থবছরের শুরুতে অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধি, রেমিট্যান্স বৃদ্ধি পেয়েছে। বছরেরর শুরুতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি, বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধিসহ সরকারি নানা উদ্যোগ রপ্তানির গতি বেড়েছিল। এক অংকের সুদহার, সরকারি ব্যয় বৃদ্ধিসহ নানা উদ্যোগ বিনিয়োগ বাড়াতে উৎসাহিত করেছিল। মুল্যস্ফীতিও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে রাজস্ব আদায় কমে যাওয়া বাংলাদেশর অর্থনীতির জন্য মূল চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

এডিবি উল্লেখ করেছে, জিডিপির তুলনায় কম রাজস্ব আদায় দিয়ে উচ্চ মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত হওয়া এবং দারিদ্র্য বিমোচন বাধাগ্রস্ত হতে পারে। কর কাঠামো পুনর্বিন্যাস করে রাজস্ব আদায় বাড়াতে হবে। বাজেটে স্বাস্থ্য ও সামাজিক উন্নয়নে বরাদ্দ বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছে এডিবি।