সংবাদ শিরোনাম

কুড়িগ্রামের সবগুলো নদ-নদী শুকিয়ে গেছে, হুমকীতে জীব-বৈচিত্রহেফাজতের আরেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তারমধুখালীতে বান্ধবীর সহায়তায় অচেতন করে দফায় দফায় ধর্ষণের শিকার নারী!বাসস্ট্যান্ডে প্রকাশ্যে চায়ের স্টলে ইতালি প্রবাসীকে কুপিয়ে হত্যাগোবিন্দগঞ্জে মর্মান্তিক সড়ক দূঘর্টনায় স্কুল শিক্ষকসহ একই পরিবারের ৪ জন নিহতময়মনসিংহে ব্রহ্মপুত্র নদের পানিতে ডুবে মারা গেলো ৩ শিশুমুহুর্তেই ভয়াবহ আগুন! স্কুলেই পুড়ে মরলো ২০ শিশু শিক্ষার্থী!সাবেক আইনমন্ত্রী আব্দুল মতিন খসরু আর নেইসব রেকর্ড ভেঙে চুরমার, একদিনেই ৯৬ জনের মৃত্যুকরোনায় মারা গেলেন টাঙ্গাইল বিএনপির সাবেক সম্পাদক বুলবুল

  • আজ ১লা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

চাকরি বাঁচাতে রাঙামাটি থেকে হেঁটেই চট্টগ্রামের পথে পোশাক শ্রমিকরা

৯:০০ অপরাহ্ন | শনিবার, এপ্রিল ৪, ২০২০ স্পট লাইট

সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক:চাকরি বাঁচাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ৭০ কিলোমিটার পাহাড়ি পথ হেঁটে যাত্রা শুরু করেছেন পোশাক শ্রমিকরা। পোশাক কারখানার নির্ধারিত ছুটি শেষ হওয়ায় রাঙামাটি থেকে পোশাকশ্রমিকরা চট্টগ্রামে নিজ কর্মস্থলের পথে যাত্রা শুরু করেন।

শনিবার (৪ এপ্রিল) সকালে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অবস্থানরত পোশাকশ্রমিকদের দলে দলে হেঁটে যেতে দেখা গেছে তাদের কর্মস্থলের দিকে।

করোনা ভাইরাইসের ঝুঁকি রোধে গত ২৬ মার্চ থেকে ১০ দিনের ছুটি ঘোষণা করে সরকার। আর এ ছুটির কারণে সব প্রকার যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

এরই মধ্যে এ ছুটি বাড়িয়ে ১১ এপ্রিল করা হলেও পোশাক শ্রমিকরা সে ছুটি পাননি। তাই চাকরি বাঁচাতে হেঁটেই যাত্রা শুরু করেছেন বলে জানান তারা।

পোশাক শ্রমিক আব্দুল মতিন,কাদের,মুন্না,মানিক জানান, অফিস থেকে মোবাইল ফোনে আগামীকাল (৫ এপ্রিল) কাজে যোগদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তাই নিরূপায় হয়ে হেঁটে রাঙামাটি থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওয়না দিয়েছি।

পথে পথে পুলিশি বাধা থাকলেও মানবিক কারণে তারাও আমাদের ছেড়ে দিচ্ছেন বলে জানান তিনি।

নারী পোশাকশ্রমিক রোকেয়া আক্তার বলেন, লংগদু থেকে খুব ভোরে মালামাল বোঝাই বোটে রওয়ানা দিয়েছে। যদি আগামীকাল কর্মস্থলে যোগদান না করি তাহলে

ছুটির দিনগুলোসহ অনুপস্থিতি দেখানো হবে এবং বেতন ভাতাদি পাওয়া কঠিন হবে।

আমাদের বাসা ভাড়া, দোকানে বাকি রয়েছে বেতন না পেলে সেগুলো পরিশোধ করতে পারব না; তাই কষ্ট হলেও যেতে হবে বলে জানান তিনি।

পোশাকশ্রমিক নয়ন মিয়া বলেন, করোনা ভাইরাস ছোঁয়াছে এটা শুনেছি। আমিও আক্রান্ত হতে পারি, কিন্তু যদি কাল যোগদান না করি তাহলে না খেয়ে থাকতে হবে।
চাকরি না থাকলে বউ বাচ্চা না খেয়ে থাকবে।

রাঙামাটি থেকে চট্টগ্রামের দূরত্ব প্রায় ৭০ কিলোমিটার। তারপর আবার পাহাড়ি পথ। তাও কিছুই করাই নেই কঠিন পরিস্থিতি জেনেও যেতে হচ্ছে তাদের।

এদিকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে শহরে জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়মিত টহল অব্যাহত রেখেছে।

শনিবার সাপ্তাহিক হাট থাকায় বনরুপা এ হাটে সেনাবাহিনীর সদস্যরা সামাজিক দূরত্ব বাজায় রাখতে সার্বক্ষণিক এখানে আসা মানুষদের সচেতন করছেন।

এছাড়াও অপ্রয়োজনে রাস্তায় মোটরসাইলে নিয়ে বের হওয়ার রাঙামাটি জেলার নির্বাহী ম্যাজেস্ট্রেট বোরহান উদ্দিন অভিযান পরিচালনা করছেন। জরিমানও করা হয়েছে। বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।