সংবাদ শিরোনাম

কোরআন তেলাওয়াত, ইবাদতে প্রথম রোজা কেটেছে খালেদারভাঙ্গায় রাতের আঁধারে দফায় দফায় সংঘর্ষ, ভাঙচুর-লুটপাট : আহত-১৫বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে তরুণীর সর্বস্ব কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধেমহাসড়ক যানশূন্য, শিমুলিয়ায় ফেরি পারাপার বন্ধ‘তালা ভেঙ্গে মসজিদে তারাবি পড়ার চেষ্টা্’‌, পুলিশের বাধায় সংঘর্ষে মুসল্লিরা‘লঘু পাপে গুরু দণ্ড’; তিনটি মুরগি চুরির দায়ে দেড়লাখ টাকার জরিমানা চার তরুণের!কুড়িগ্রামের সবগুলো নদ-নদী শুকিয়ে গেছে, হুমকীতে জীব-বৈচিত্রহেফাজতের আরেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তারমধুখালীতে বান্ধবীর সহায়তায় অচেতন করে দফায় দফায় ধর্ষণের শিকার নারী!বাসস্ট্যান্ডে প্রকাশ্যে চায়ের স্টলে ইতালি প্রবাসীকে কুপিয়ে হত্যা

  • আজ ২রা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

১১:০৩ পূর্বাহ্ন | রবিবার, এপ্রিল ৫, ২০২০ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক মন্দাবস্থা মোকাবেলায় ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে সরকার।

দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি ও এর অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবেলায় কর্মপরিকল্পনা নিয়ে রবিবার (৫ এপ্রিল) গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে এই প্যাকেজ ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিশ্বে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখতে এসব প্যাকেজ ঘোষণা করে শেখ হাসিনা বলেন, “আশাকরি, পূর্বে ও আজকে ঘোষিত আর্থিক সহায়তার প্যাকেজগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হলে আমাদের অর্থনীতি পুনরায় ঘুরে দাঁড়াবে এবং আমরা কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কাছাকাছি পৌঁছাতে পারবো।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কেউ কষ্ট পাক এটা আমাদের কাম্য নয়। সরকারিভাবে দেশের সকল শ্রেণীর মানুষের দুর্দশা লাঘব করাই আমাদের দায়িত্ব। এই প্রণোদনা প্যাকেজের সুফল সবাই পাবেন। তবে কেউ কোনও অসততার আশ্রয় নেবেন না।”

সবাইকে দেশীয় পণ্যের উৎপাদন ও ব্যবহার বৃদ্ধিও আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সম্ভাব্য এই বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনৈতিক সঙ্কট হতে উত্তরণের জন্য রপ্তানি খাতের পাশাপাশি দেশীয় পণ্যের প্রতি আমাদের বিশেষ নজর দিতে হবে। এক্ষেত্রে আমি সবাইকে দেশীয় পণ্যের উৎপাদন ও ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।”

এ সময় শেখ হাসিনা বলেন, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় বাংলাদেশে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। এর ফলে দেশে এই ভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণ ঘটেনি। এখনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।

তিনি বলেন, গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনে করোনাভাইরাস দেখা দেওয়ার পরই আমরা এ ব্যাপারে যথাযথ গুরুত্ব দিয়েছি। করোনা মোকাবিলায় তিন স্তরের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়। গত জানুয়ারি থেকে এই তিন স্তরের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

শেখ হাসিনা, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস বিশ্ব অর্থনীতির ওপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দা শুরু হয়েছে বলে ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছে।

এ সময় করোনা ঝুঁকির মধ্যেও দায়িত্ব পালন করে যাওয়ায় সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয়েছে। এরপর দিনে দিনে সংক্রমণ বেড়েছে। এখন পর্যন্ত দেশে করোনায় আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭০ জন। এদের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন আটজন।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর গত ২৫ মার্চ প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে করণীয় তুলে ধরেছিলেন। সেদিন রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের পাশাপাশি গৃহহীনদের জন্য ঘর ও খাবারের ব্যবস্থা করার ঘোষণা দেন তিনি।

সেদিন শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের মানুষকে রক্ষায় সরকার এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে।

করোনা প্রাদুর্ভাবের মধ্যে ইতোমধ্যেই সবার জন্য ৩১টি নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, যা প্রতিপালনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সবাইকে অনুরোধ করেছে সরকার।