সংবাদ শিরোনাম

প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার; পরিবারের দাবি পরিকল্পিতভাবে হত্যাস্বামী ঘুমে, স্ত্রী ঝুলে আছে ফাঁসির রশিতেহেফাজতের প্রতি দুর্বলতা দেখানোর সুযোগ নেই: নানকমাদারীপুর সদর হাসপাতালে টিকার জন্যে দীর্ঘ লাইন, স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেইঅ্যাডিশনাল এসপি শামিম আমার গায়ে হাত তুলেছে: কাদের মির্জাকোভিড ভ্যাকসিনকে বিশ্বজনীন পণ্য হিসেবে ঘোষণা করা উচিত: প্রধানমন্ত্রী‘হেফাজতের তাণ্ডবে বিএনপি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত’মামুনুল হককে রিমান্ডে নিতে চায় সিআইডিওযুবকের গলায় অস্ত্রোপচারের চেষ্টা শিশু বিশেষজ্ঞের, অতঃপর…ভালুকায় এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ব্যবসায়ীকে হত্যা

  • আজ মঙ্গলবার। গ্রীষ্মকাল, ৭ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ। ২০শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ। বিকাল ৪:১৭মিঃ

খেয়ে না খেয়ে দিন কাটলেও রুপভানদের খবর নেয় না কেউ!

৬:৪৫ অপরাহ্ন | সোমবার, এপ্রিল ৬, ২০২০ দেশের খবর, রাজশাহী

নাজমুল হক নাহিদ, নওগাঁ প্রতিনিধি: ৭০ বছরের বৃদ্ধা রুপভান। থাকেন নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার ভবানীপুর বাজার সংলগ্ন টিনের ছাউনি ঘেরা ছোট্ট একটি ঝুপড়ি ঘরে। সেই ঝুপড়ি ঘরে গত কয়েক বছর ধরে বসবাস করছেন তিনি।

স্বামী মছির প্রামানিক মারা গেছেন প্রায় ৩০ বছর আগে। বয়সের ভারে অন্ধত্ব বরণ করায় এখন আর কাজ করতে পারেন না। থাকেন স্বামী পরিতক্তা এক মেয়ের কাছে। মেয়েটি বিভিন্ন জনের বাড়িতে কাজ করে তা দিয়েই চলে তাদের জীবন যাত্রা।

শুধু রুপভানই নন, ওই এলাকার কয়েকটি পরিবারের একই অবস্থায় দিন কাটছে। করোনায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে তাদের জীবন ধারণ। খেয়ে না খেয়ে দিন কাটছে তাদের।

সারা দেশের মতো নওগাঁর আত্রাইয়েও চলছে অঘোষিত লকডাউন। এতে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন দিনমজুরসহ নিম্ন আয়ের মানুষ। সরকারের পক্ষ থেকে ত্রাণসামগ্রী দিলেও তা পর্যাপ্ত না হওয়ায় অনেকেই পাচ্ছেন না।

এ ব্যাপারে বৃদ্ধার মেয়ে রুবি বলেন, প্রতিদিনই ত্রাণের অপেক্ষায় থাকেন তারা। অনেকেই ত্রাণ পেলেও আমরা ত্রাণ পাইনা। করোনা ভাইরাসের কারণে কাজের জন্য বাইরে কোন জায়গায় যেতে পারি না। কোন কাজও করতে পারছিনা বৃদ্ধা মাকে নিয়ে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছি।

বৃদ্ধা রুপভান অশ্রুসিক্ত কন্ঠে বলেন, করোনা ভাইরাসে আমরা মরব না। এইটার জন্য আমাদের ভয় নাই। কিন্তু আমরা ক্ষুধার জন্য মরছি। মাঝে মধ্যেই প্রতিবেশিরা খাবার দেয় তা দিয়ে কি আর চলা যায়।

‘গত কয়েকদিন থেকে মেয়েটি ঘরে বাইরে মানুষের বাড়িতে যেতে পারিনি। ঘরে কোনো খাবার নেই আমার। খুব কষ্ট করে চলছি। খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছি। শুনতেছি বিভিন্ন জায়গায় ত্রাণ দেয়। কিন্তু আমরা এখনও তো পেলাম না।’