সংবাদ শিরোনাম

করোনায় মারা গেলেন নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন মাসুক হাসানলকডাউনের দ্বিতীয় দিনে সড়কে দীর্ঘ যানজট!৬ বছরের ছেলে সাহেলের প্রথম রোজা, আপ্লুত মাশরাফিকোরআন তেলাওয়াত, ইবাদতে প্রথম রোজা কেটেছে খালেদারভাঙ্গায় রাতের আঁধারে দফায় দফায় সংঘর্ষ, ভাঙচুর-লুটপাট : আহত-১৫বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে তরুণীর সর্বস্ব কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধেমহাসড়ক যানশূন্য, শিমুলিয়ায় ফেরি পারাপার বন্ধ‘তালা ভেঙ্গে মসজিদে তারাবি পড়ার চেষ্টা্’‌, পুলিশের বাধায় সংঘর্ষে মুসল্লিরা‘লঘু পাপে গুরু দণ্ড’; তিনটি মুরগি চুরির দায়ে দেড়লাখ টাকার জরিমানা চার তরুণের!কুড়িগ্রামের সবগুলো নদ-নদী শুকিয়ে গেছে, হুমকীতে জীব-বৈচিত্র

  • আজ ২রা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রে একদিনেই প্রাণ গেল ১২৫৫ জনের, আক্রান্ত আরও ৩০ হাজার

১০:৩২ পূর্বাহ্ন | মঙ্গলবার, এপ্রিল ৭, ২০২০ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- ইউরোপের পর করোনার মৃত্যুপুরী যুক্তরাষ্ট্রে আবারও বেড়েছে সংক্রমণ ও প্রাণহানির সংখ্যা। যেখানে মৃতের সারি ১১ হাজার ছুঁই ছুঁই করছে। আক্রান্ত সাড়ে ৩ লাখ ছাড়িয়েছে।

ওয়ার্ল্ডওমিটার ওয়েবসাইট জানিয়েছ, করোনা ভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার) ১ হাজার ২৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ হাজারের বেশি। দেশটিতে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৮৭১ জনে।

যুক্তরাষ্ট্রে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৯ হাজার ৬৭১ জন।

এদিকে ওয়ার্ল্ড ওমিটারের তথ্য অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গোটা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৩ লাখ ৪৬ হাজার ৫৬৬ জন। আর মারা গেছে ৭৪ হাজার ৬৯৭ জন।

সবচেয়ে খারাপ অবস্থা ইউরোপ ও আমেরিকার। বেশিরভাগ মৃত্যু হয়েছে এ দুই মহাদেশে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি ও স্পেনে প্রতিদিন মৃত্যুর নতুন রেকর্ড হচ্ছে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে প্রথম ছড়ায় প্রাণঘাতী এ ভাইরাস। দেশটিতে দ্বিতীয় দফায় তা ছড়াতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

ওয়ার্ল্ড ওমিটারসের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ইতালিতে- ১৬ হাজার ৫২৩ জন। এরপরই আছে স্পেন। দেশটিতে মারা গেছেন ১৩ হাজার ৩৪১ জন। এ দুই দেশের পর বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১০ হাজার ৮৭১ জন।

মৃতের সংখ্যায় এরপর যথাক্রমে রয়েছে- ফ্রান্সে ৮ হাজার ৯১১ জন, যুক্তরাজ্যে ৫ হাজার ৩৭৩ জন, ইরানে ৩ হাজার ৭৩৯ জন, চীনে ৩ হাজার ৩৩১ জন।