করোনায় মারা যাওয়ার আগে দেওয়ানবাগীর ওরসে গিয়েছিলেন সেই বৃদ্ধ

১১:৫৬ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, এপ্রিল ৭, ২০২০ আলোচিত বাংলাদেশ
dewanbagi

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ গত শনিবার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে মারা যান এক বৃদ্ধ। মারা যাওয়া ৯০ বসর বয়সী ওই ব্যক্তি শরীয়তপুরের নড়িয়া থানা এলাকার থিরোপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসার জন্য ঢাকায় এসে দেওয়ানবাগীর ওরসেও অংশ নিয়েছিলেন ওই বৃদ্ধ।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পক্ষ থেকে মৃত্যুর বিষয়টি জানানো হলেও গোপন রাখা হয় তার পরিচয়। তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ১৬ দিন অসুস্থ ছিলেন ওই বৃদ্ধ। এ সময়ের মধ্যে তিনি অন্তত চারটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে যান। যাত্রাপথে একবার লঞ্চ ও একবার অ্যাম্বুলেন্স এবং ভাড়া করা গাড়ি ব্যবহার করেন। অংশ নেন দেওয়ানবাগীর ওরসে। এছাড়া কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগে তিনি ছিলেন মিরপুর-১৩ নম্বরে তার বড় মেয়ের বাড়িতে। সেখান থেকে স্থানীয় মসজিদে নামাজ আদায় করেন। এখন তার মেয়ে, জামাই ও তাদের সন্তান জ্বর ও সর্দি-কাশিতে ভুগছেন।

ওই বৃদ্ধের মৃত্যুর পর নড়িয়া থানা এলাকার থিরোপাড়া গ্রামের ২৪টি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৯টি বাড়ি তার স্বজনদের। এছাড়া তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স চালকের বাড়িসহ আশপাশের আরো পাঁচটি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।

এদিকে, ইতালিফেরত বৃদ্ধের বড় ছেলে গত ১২ মার্চ মিরপুর-১ নম্বরের উত্তর টোলারবাগের ১৯/জি নম্বর বাড়িতে। এটিই তার শ্বশুরবাড়ি। নয়তলা ভবনের তৃতীয় তলার সি ফ্ল্যাটেই বর্তমানে রয়েছেন তিনি। ওই বাড়িতেই করোনা সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ব্যক্তির মৃত্যু হয়। তবে ইতালি থেকে ফেরার পর এখন পর্যন্ত কোনো জ্বর ও সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হননি দাবি করেন মারা যাওয়া বৃদ্ধের বড় ছেলে।