🕓 সংবাদ শিরোনাম

শেরপুরে পৃথক ঘটনায় একদিনে ৭ জনের মৃত্যুএক বিয়ে করে দ্বিতীয় বিয়ের জন্যে বড়যাত্রীসহ খুলনা গেল যুবক!আমার মৃত্যুর জন্য রনি দায়ী! চিরকুট লিখে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যাইসরাইলীয় আগ্রাসনের  বিরুদ্ধে ইসলামী বিশ্বের নিন্দার নেতৃত্বে সৌদি আরবত্রিশালে সড়ক দূর্ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যুতে নিহতের বাড়ীতে চলছে শোকের মাতমকলাপাড়ায় এক সন্তানের জননীর মরদেহ উদ্ধারটাঙ্গাইলে কৃষক শুকুর মাহমুদ হত্যা মামলায় গ্রেফতার-১ফরিদপুরে নানা আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিতজামালপুরে ঘর মেরামতের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তিন জনের মৃত্যুশেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে বিশ্বের বিস্ময় এখন বাংলাদেশ: কাদের

  • আজ সোমবার, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৭ মে, ২০২১ ৷

রাতে বাড়িতে বাড়িতে খাদ্যসামগ্রী নিয়ে হাজির তানোরের ইউএনও


❏ সোমবার, এপ্রিল ১৩, ২০২০ দেশের খবর, রাজশাহী

অসীম কুমার সরকার, তানোর (রাজশাহী)সংবাদদাতা: ‘তখন রাত ৮টা ৩০মিনিট। দরজার কড়া নাড়ার শব্দ পেয়েই দরজা খুলতেই একজন বললো নমস্কার আমি ইউএনও। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রাণসামগ্রী নিয়ে এসেছি। শুনেই আমিও দু’হাত তুলে নমস্কার জানালাম। আবেগে আমি কেঁদে ফেললাম। এই বুড়ো মানুষের বাড়িতে ত্রাণ নিয়ে ইউএনও নিজেই এসেছে। আজ ১৮ দিন কোন কাজকর্ম নাই। কষ্টে দিনযাপন করছি।’

কথাগুলো বলছিলেন তানোর পৌরএলাকার গোল্লাপাড়া গ্রামের প্রবীণ মৃৎশিল্পী বিনয় চন্দ্র দাস।

একই গ্রামের শতবর্ষী প্রতিবন্ধী নিমাই কারিগর বললেন, ‘আমি সবেমাত্র রাতে খেয়ে বিছানায় বসে আছি। হঠাৎ দরজায় শব্দ হলো। খুলতেই দু’হাত তুলে নমস্কার আমি ইউএনও আপনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ এনেছি। আমাকে বয়স জিজ্ঞেসা করলো, আমি বললাম ১১০ বছর চলছে। তিনি মাথা নেড়ে বললো আচ্ছা চলি ভালো থাকবেন। কিছু প্রয়োজন হলে আমাকে জানাবেন।’

এইভাবে প্রবীণ, প্রতিবন্ধী ও কর্মহীন অসহায় মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে রাতের আঁধারে উপজেলার প্রশাসনের উদ্যোগে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুশান্ত কুমার মাহাতো। রবিবার রাতে তিনি তানোর পৌর এলাকায় অসহায়দের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।

এ নিয়ে মুঠোফোনে ইউএনও জানান, 'করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হাট-বাজার পরিদর্শন, করোনা সচেতনায় লিফলেট বিতরণ, খোলা বাজারে চাল বিক্রি, ন্যায্যমূলে টিসিবির পণ্য সামগ্রী বিক্রি, বাহির থেকে কেউ আসলে তাকে বুঝিয়ে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকাসহ বিভিন্ন বিষয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়। তাই রাতের বেলায় অসহায় কর্মহীনদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মোতাবেক খাদ্যসামগ্রী বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছি।

আমরা চেষ্টা করছি আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে। আর করোনা সচেতনায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা খুব জরুরি। আপনাদের কাছে অনুরোধ করছি বিনা প্রয়োজনে কেউ বাড়ির বাহিরে বের হবেন না। এখন বর্তমান পরিস্থিতিতে সবাইকে বাড়িতে থাকা খুব জরুরি।'